প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

ইরাক আক্রমণকে ‘নিষ্ঠুর’ বললেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ!

 




সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ বলেছেন, ইরাকে ২০০৩ সালে মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক অভিযানটি ‘নিষ্ঠুর’ ও ‘অযৌক্তিক’ ছিল। তবে এ কথা যে তিনি মুখ ফসকে বলে ফেলেছেন সেটি পরে স্বীকারও করেন। নিজের বক্তব্য সংশোধন করে জানান—তিনি আসলে ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের কথা বোঝাতে চেয়েছেন। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।


যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে বুধবার এক অনুষ্ঠানে রাশিয়ার রাজনৈতিক ব্যবস্থার সমালোচনা করতে গিয়ে বুশ এই বেফাঁস মন্তব্য করে বসেন।


বুশ ওই অনুষ্ঠানে বলেন, ‘রাশিয়ায় ভারসাম্যের অনুপস্থিতি এবং ইরাকে সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও নৃশংস হামলা শুরু করার একক ব্যক্তি-সিদ্ধান্তের ফলাফল হলো (ইউক্রেনে এ যুদ্ধ)।’ পরক্ষণেই বুশ নিজের ভুল বুঝতে পেরে মাথা নেড়ে বলেন, ‘আমি ইউক্রেনের কথা বুঝিয়েছি।’


বুশ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কৌতুকের স্বরে নিজের ভুলের জন্য বয়সকে দোষারোপ করলে উপস্থিত দর্শকের মধ্যে হাসির রোল পড়ে যায়।


ইরাকে গণবিধ্বংসী অস্ত্র রয়েছে—এমন দাবি করে ২০০৩ সালে সে দেশে সামরিক অভিযান চালায় মার্কিন নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা জোট। সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ বুশ।


জর্জ বুশের মন্তব্যটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ে।

মন্তব্যসমূহ