ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী

  ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হতাহতদের পরিবারের শোকাহত সদস্যদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। বর্তমান সরকার মনে করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্যই প্রতিটি অপরাধের বিচার হওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিগত ১৭ বছর এবং জুলাই আন্দোলনে যে মানুষগুলো শহীদ হয়েছেন এবং গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের নামে নিজেদের এলাকায় যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠানের নামকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে আজ বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ আশা করে এই জাদুঘর কোনো একটি দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির একক রাজনৈতিক ভাষ্য প্রতিষ্ঠার স্থান হবে না। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা দলের নয়। এই অভ্যুত্থানের মহানায়ক বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগ...

ইরাক আক্রমণকে ‘নিষ্ঠুর’ বললেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ!

 




সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ বলেছেন, ইরাকে ২০০৩ সালে মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক অভিযানটি ‘নিষ্ঠুর’ ও ‘অযৌক্তিক’ ছিল। তবে এ কথা যে তিনি মুখ ফসকে বলে ফেলেছেন সেটি পরে স্বীকারও করেন। নিজের বক্তব্য সংশোধন করে জানান—তিনি আসলে ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের কথা বোঝাতে চেয়েছেন। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।


যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে বুধবার এক অনুষ্ঠানে রাশিয়ার রাজনৈতিক ব্যবস্থার সমালোচনা করতে গিয়ে বুশ এই বেফাঁস মন্তব্য করে বসেন।


বুশ ওই অনুষ্ঠানে বলেন, ‘রাশিয়ায় ভারসাম্যের অনুপস্থিতি এবং ইরাকে সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও নৃশংস হামলা শুরু করার একক ব্যক্তি-সিদ্ধান্তের ফলাফল হলো (ইউক্রেনে এ যুদ্ধ)।’ পরক্ষণেই বুশ নিজের ভুল বুঝতে পেরে মাথা নেড়ে বলেন, ‘আমি ইউক্রেনের কথা বুঝিয়েছি।’


বুশ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কৌতুকের স্বরে নিজের ভুলের জন্য বয়সকে দোষারোপ করলে উপস্থিত দর্শকের মধ্যে হাসির রোল পড়ে যায়।


ইরাকে গণবিধ্বংসী অস্ত্র রয়েছে—এমন দাবি করে ২০০৩ সালে সে দেশে সামরিক অভিযান চালায় মার্কিন নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা জোট। সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ বুশ।


জর্জ বুশের মন্তব্যটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ে।

মন্তব্যসমূহ