প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

তালেবানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখবে যুক্তরাজ্য কিন্তু স্বীকৃতি দেবে না

 




যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডমিনিক র‌্যাব বলেছেন যুক্তরাজ্য আফগানিস্তানে তালেবানের সঙ্গে যোগাযোগ করে চলবে। কিন্তু তারা এখনই তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দেবে না।

 

বৃহস্পতিবার দোহায় কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ বিন খলিফা আল থানির সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এই কথা জানান।

 

সংবাদ সম্মেলনে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তালেবানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখা জরুরি। কিন্তু যুক্তরাজ্য তালেবানকে নিকট ভবিষ্যতে স্বীকৃতি দেবে না। এ সময় তিনি বলেন, তালেবানের কথার মাধ্যমে নয়, কাজ দ্বারা মূল্যায়ন করা হবে।


যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, তালেবান যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তা পরীক্ষার জন্য তাদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা এবং সংলাপের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ রয়েছে। 


আফগানিস্তানে অনেক নাগরিককে ফেলে রেখে এসেছে যুক্তরাজ্য,  এই ঘটনায় তিনি অনুতপ্ত কী না,  এমন প্রশ্নের জবাবে ডমিনিক র‌্যাব বলেন, আফগানিস্তান থেকে ১৭ হাজারের বেশি মানুষকে সরিয়ে আনা হয়েছে। যেসব ব্রিটিশ নাগরিক এবং আফগান কর্মী বের হতে পারেনি আমরা তাদের সরিয়ে আনতে দায়িত্ব অনুভব করি। 

মন্তব্যসমূহ