আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা

  পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকিরের ‘ক্রসফায়ার’ ও সাংবাদিকদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। সচিবালয়ের পিআইডি সম্মেলনকক্ষে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে রাষ্ট্রীয় সফরে দেশের বাইরে রয়েছেন। দেশে ফেরার পর তিনি বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবেন। সম্প্রতি রাজধানীর চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেন, সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করা হবে। একই অনুষ্ঠানে পুলিশের সমালোচনা করা সাংবাদিকদের নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করেন তিনি। আইজিপির বক্তব্যের পর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সরকারের অবস্থান এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সোমবার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেওয়া ব্যাখ্যায় জানানো হয়েছে, আইজিপি ‘ক্রসফায়ার’ বলতে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বোঝাননি। সাংবাদিকদের নিয়ে করা মন্তব্যের বিষয়েও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। উপদেষ্টার মতে, আইজিপি নিজেই ...

অস্ত্র জমা নিয়ে সাধারণ মানুষকে তালেবানের শান্তির বার্তা

 




আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে তালেবান যোদ্ধারা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অস্ত্র সংগ্রহ শুরু করেছে। বলা হচ্ছে, কাবুল তালেবানের নিয়ন্ত্রণে চলে আসায় তাদের আর ব্যক্তিগত সুরক্ষার প্রয়োজন নেই। তালেবানের একজন কর্মকর্তা এসব কথা বলেছেন।


বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে তালেবানের ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা বুঝতে পারছি, মানুষ ব্যক্তিগত সুরক্ষার কথা ভেবে তাদের কাছে অস্ত্র রেখেছে। তবে তারা এখন নিজেদের সুরক্ষিত ভাবতে পারেন। আমরা এখানে নিরীহ সাধারণ মানুষের ক্ষতি করতে আসিনি।’


কাবুল শহরের বাসিন্দা ও মোবি নামের মিডিয়া গ্রুপ অব কোম্পানির পরিচালক সাদ মোহসেনি টুইটারে বলেছেন, তালেবান সৈন্যরা তাঁর কোম্পানির ভবনে এসে আজ সোমবার তাঁর নিরাপত্তা দলের কাছে রাখা অস্ত্র সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে গেছেন।’


স্থানীয় সংবাদমাধ্যম টোলো নিউজ এক টুইট বার্তায় লিখেছে, ‘তালেবানরা কাবুলের টোলো নিউজ অফিসে ঢুকে, নিরাপত্তা কর্মীদের অস্ত্র দেখে, সরকার প্রদত্ত অস্ত্র সংগ্রহ করে। তারা ভবনটি নিরাপদ রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।’


গতকাল রোববার আফগান সরকারের পতন হয়েছে। দেশত্যাগ করেছেন প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি। তিনি ওমানে আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানা গেছে। এদিকে কাবুল দখলের পর রাষ্ট্রক্ষমতায় আরোহণের জন্য অপেক্ষা করছে তালেবান।


তালেবান বিনাযুদ্ধে আফগানিস্তানের রাজধানীর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পরদিন সকালে কাবুলের রাস্তাগুলো ছিল জনশূন্য, দোকানপাট বন্ধ ছিল আর নগরীর নিরাপত্তা রক্ষীদের খোঁজ মেলেনি।


সোমবার সকালে শহরে এমন চিত্র দেখা গেলেও বিপরীত চিত্র ছিল কাবুল বিমানবন্দরে। সেখানে শত শত আফগান জড়ো হয়ে বিভিন্ন ফ্লাইটে দেশ থেকে পালানো চেষ্টা করছিল বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসা বেশ কয়েকটি ভিডিওতে গুলির শব্দের মধ্যে শত শত লোককে তাদের মালপত্রসহ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বিমানবন্দরের টার্মিনালের দিকে দৌড়ে যেতে দেখা গেছে; তবে এসব ভিডিও যাচাই করতে পারেনি রয়টার্স।


সেখানে অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। তবে তারা গুলিতে না ভিড়ের চাপে পিষ্ট হয়ে মারা গেছেন তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

মন্তব্যসমূহ