তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর নিয়ে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করল ভারত

  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের 'সম্ভাব্য' ভারত সফরের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তা আবার প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভারতের রাষ্ট্রপতির সচিবালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর মহড়ার কারণে আগামীকাল শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের ফোরকোর্টে 'চেঞ্জ অব গার্ড' অনুষ্ঠান হবে না। কিন্তু এর পরপরই কোনো কারণ না দেখিয়ে বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করে নেয় রাষ্ট্রপতি ভবন। এটি সফরের সময়সূচি বদলের ইঙ্গিত, নাকি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রক্রিয়াগত কোনো সমস্যা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ঘিরে টানাপড়েন এবং তারেক রহমানের সফর ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে এই কাণ্ড নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার কারণে সফর নিয়ে আলোচনা জটিল হয়ে উঠেছে।

১৫ আগস্টের মধ্যে দেশে আসছে আরও ৫৪ লাখ টিকা : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

 




স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন, আগামী ১৫ আগস্টের মধ্যে দেশে আরও ৫৪ লাখ টিকা আসছে। এর মধ্যে কোভ্যাক্সের মাধ্যমে আসছে ৩৪ লাখ টিকা। এ ছাড়া এই ৫৪ লাখ টিকার মধ্যে চীন থেকে কেনা ১০ লাখ এবং চীন সরকারের উপহারের আরও ১০ লাখ টিকাও রয়েছে। আজ সোমবার মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত বৈঠক শেষে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।


এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক আরও জানান, চীন থেকে আরও ছয় কোটি টিকা কেনার ব্যাপারে সায় দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ ব্যাপারে চীন সরকারও অনুমোদন দিয়েছে। একনেক থেকে অনুমোদন পেলে চুক্তি হবে। চুক্তি হওয়ার পর ছয় কোটি থেকে সেপ্টেম্বরে আসবে এক কোটি পাঁচ লাখ, অক্টোবরে আসবে দুই কোটি ও নভেম্বরে আসবে আরও দুই কোটি টিকা।


বাইরে থেকে টিকা নেওয়া প্রসঙ্গে জাহিদ মালেক আরও জানান, টিকা নেওয়া ক্ষেত্রে যাতে পরে কোনো সংকটের মুখোমুখি না হতে হয়, সেজন্য সতর্ক থাকতে হচ্ছে। ভারত থেকে টিকা কেনার পরও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তারা টিকা দিতে পারেনি, তাই সতর্ক থাকতে হচ্ছে।


দেশে টিকাদানের কার্যক্রম চলমান থাকবে জানিয়ে এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, এর মধ্যে টিকার সংকট হবে না। গ্রামাঞ্চলের বয়স্ক ব্যক্তিরা টিকা কার্যক্রমে অগ্রাধিকার পাবেন। দেশে বয়স্কদের মৃত্যুর হার ৯০ শতাংশ। তাই তাঁদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এদিকে, নিয়মিত টিকা কার্যক্রমের বাইরে গণটিকা কর্মসূচিতে এখন পর্যন্ত ৩০ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছ বলেও জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

মন্তব্যসমূহ