তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর নিয়ে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করল ভারত

  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের 'সম্ভাব্য' ভারত সফরের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তা আবার প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভারতের রাষ্ট্রপতির সচিবালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর মহড়ার কারণে আগামীকাল শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের ফোরকোর্টে 'চেঞ্জ অব গার্ড' অনুষ্ঠান হবে না। কিন্তু এর পরপরই কোনো কারণ না দেখিয়ে বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করে নেয় রাষ্ট্রপতি ভবন। এটি সফরের সময়সূচি বদলের ইঙ্গিত, নাকি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রক্রিয়াগত কোনো সমস্যা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ঘিরে টানাপড়েন এবং তারেক রহমানের সফর ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে এই কাণ্ড নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার কারণে সফর নিয়ে আলোচনা জটিল হয়ে উঠেছে।

ইসরায়েলকে সমর্থন দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রকে তুলাধোনা চীনের

 





মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনায় ভূমিকার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর সমালোচনা করে চীন বলছে, মার্কিন ভেটোর কারণেই নিরাপত্তা পরিষদ অকার্যকর হয়ে পড়েছে। ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া যাচ্ছে না।


ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের সম্পূর্ণ অস্ত্রবিরতির আহ্বান জানিয়ে মঙ্গলবার (১৮ মে) একটি বিবৃতি দিয়েছে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।


এতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান বলেন, ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র যা করছে, তা গভীর হতাশাজনক। ফিলিস্তিনিরা যখন নিপীড়নের শিকার, তখন যুক্তরাষ্ট্র এভাবেই মানবাধিকারের বুলি আওড়ায়, নাকি এসব মার্কিন স্বার্থসিদ্ধির অজুহাত?



প্রশ্ন রেখে তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কী এটিকেই নিয়ম-ভিত্তিক আন্তর্জাতিক শাসন বলছে।


এর আগে এক সংবাদ সম্মেলনে ঝাও লিজিয়ান বলেন, ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত বন্ধে নিবৃত্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার বদলে যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনায় ইন্ধন যোগাতে প্রস্তুত। নিরাপত্তা পরিষদে নজিরবিহীনভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে যুক্তরাষ্ট্র এবং মানবজাতির স্বাভাবিক বোধ ও নৈতিক চেতনার বিপরীতে তাদের অবস্থান।


এর আগে হামাস-ইসরায়েল অস্ত্রবিরতি চেয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি বিবৃতি আটকে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। 


চীন বলছে, ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে আচরণ করছে, তাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় মারাত্মকভাবে হতাশ। লোকজন হয়তো সহায়তা করতে পারছে না, কিন্তু জিজ্ঞাসা করছে, যুক্তরাষ্ট্র যে মানবাধিকার ও মূল্যবোধের অধিকারী বলে দাবি করছে আসছে, এটি কী সেই কূটনীতি?


ঝাও লিজিয়ান বলেন, মুসলমানদের মানবাধিকার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যখন কথা বলছে, তখন তারা ফিলিস্তিনিদের মানবাধিকার নিয়ে উদাসীন কেন?


ওয়াশিংটনের পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কেবল নিজ স্বার্থের প্রতিই নজর রাখে, তাতে ঘটনা যা-ই হোক না কেন। মানবাধিকারকে কী তারা অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করছে না? ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতে পদক্ষেপ নিতে নিরাপত্তা পরিষদকে বাধা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।


মন্তব্যসমূহ