প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

লকডাউনে শপিংমল-দোকানপাট বন্ধ, ৪ ঘণ্টা খোলা রাখার দাবি

 





করোনাভাইরাস পরিস্থিতির ক্রমাগত অবনতি হওয়ায় আগামী ৫ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের জন্য সারা দেশে লকডাউন ঘোষণা করছে সরকার। এ সময় দোকানপাট ও শপিংমল বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। তবে চার ঘণ্টা করে খোলা রাখার দাবি জানিয়েছে ব্যবসায়ী সমিতি। 


প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষের চলাফেরা যাতে কমাতে পারি সেজন্য আমরা আপাতত এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন দিচ্ছি। সরকারি ও বেসরকারি অফিস-আদালত বন্ধ থাকবে। সব ধরনের মার্কেট বন্ধ থাকবে। আমাদের জরুরি সেবা দেওয়া প্রতিষ্ঠান, ডিসি অফিস, ইউএনও অফিস, ফায়ার সার্ভিসের অফিস, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অফিস, সংবাদপত্র অফিস- এই ধরনের অফিস খোলা থাকবে। শিল্প ও কলকারখানা খোলা থাকবে, সেখানে একাধিক শিফট করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাতে শ্রমিকেরা কাজ করেন— সেটা নিশ্চিত করতে হবে।’


ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘মানুষের চলাচল যাতে একেবারে সীমিত করে ফেলা যায়, আমরা সেই পদক্ষেপ নেব। কেউ অপ্রয়োজনে ঘর থেকে বের হতে পারবে না।’


এদিকে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘কাপড়ের ব্যবসায়ীরা সারা বছর অপেক্ষায় থাকেন রোজার ঈদে ব্যবসা করার জন্য। এ সময়ে বিক্রি করতে না পারলে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন তাঁরা। দোকানপাট পুরো বন্ধ করা একটি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। কেননা পাইকারি ব্যবসায়ীদের চলতি সপ্তাহে বিক্রির সময়। এ সপ্তাহে বিক্রি করতে না পারলে খুচরা দোকানিরা জিনিসপত্র নিতে পারবেন না। এতে ঈদে সমস্যা তৈরি হবে। আমরা চার ঘণ্টা করে দোকান খোলা রাখার আবেদন করেছি। দেখি সরকার কী সিদ্ধান্ত দেয়। তবে আমাদের দাবি, এই লকডাউন যেন এক সপ্তাহের বেশি না বাড়ে।’

মন্তব্যসমূহ