মুক্তিযুদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ ছিল না : ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

  ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ ছিল জনতার যুদ্ধ, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যুদ্ধ এবং মানুষের ভোটাধিকার, মানবিক মর্যাদা ও সম-অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম। এটি কোনো রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ ছিল না, বরং জনগণের রায়কে অগ্রাহ্য করে গণতন্ত্রকে পদদলিত করার ফলেই মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়।  তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর যারা রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছিলেন, তারা অনেকেই মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চিত্র জনগণের সামনে তুলে ধরতে চাননি। এ কারণে স্বাধীনতা যুদ্ধের অসংখ্য ঘটনা, ত্যাগ ও বীরত্বগাঁথা এখনও যথাযথভাবে ইতিহাসে স্থান পায়নি, সেগুলো এখনও সাধারণ মানুষের কাছে অজানা রয়ে গেছে এবং সেই ইতিহাসকে সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে ও জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। আজ শুক্রবার ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবে বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার কোর্সেস ফাউন্ডেশন আয়োজিত বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার কোর্সেস-এর ৫৪তম কমিশনিং ও ফেলোশিপ ডে উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীনতার পর এমন ধারণা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হয়েছে যে, কেবল কয়েকটি ভাষণের মাধ্যমেই দ...

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধানের সঙ্গে ভারতের সেনা প্রধানের সাক্ষাৎ

 



বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, এসবিপি (বার), বিএসপি, বিজিবিএম, পিবিজিএম, বিজিবিএমএস, পিএসসি, জি এর সাথে বাংলাদেশে সফররত ভারতের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এম এম নারাভানে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। 


বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) ঢাকা সেনানিবাসস্থ সেনাসদর দপ্তরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।


সাক্ষাৎকালে তাঁরা পারস্পরিক কুশলাদি বিনিময় ছাড়াও দু’দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে বিদ্যমান সুসম্পর্ক ও ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রায় পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। আলোচনায় বর্ডার রোড অর্গানাইজেশন বাস্তবায়ন, সেনা বৈমানিকদের প্রশিক্ষণ, প্রতিরক্ষা বিষয়ক বিশেষজ্ঞ এবং প্রশিক্ষক বিনিময়, পারস্পারিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ইত্যাদি বিষয়সমূহের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়। 


বৈশ্বিক মহামারি কোভিড-১৯ মোকাবেলায় ভারতের প্রশংসনীয় সহযোগিতার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন জেনারেল আজিজ। একইভাবে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ভারত বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান। 


উল্লেখ্য, সেনাবাহিনী প্রধানের সাথে সাক্ষাতের পূর্বে আজ দুপুরে জেনারেল নারাভানে ঢাকা সেনানিবাসস্থ শিখা অনির্বাণে পুস্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে শাহাদৎ বরণকারী বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর সেনাকুঞ্জে তাঁকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করেন। গার্ড অব অনার শেষে জেনারেল নারাভানে সেনাকুঞ্জে বৃক্ষরোপন করেন। 


জেনারেল নারাভানে এর নেতৃত্বে ৩ সদস্যের ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি প্রতিনিধি দল ৫ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ৮ এপ্রিল ২০২১ তারিখ সকালে ঢাকায় আগমন করেন। সফরকালে ভারতের সেনাবাহিনী প্রধান আগামী ১১ এপ্রিল ঢাকা সেনানিবাসে অনুষ্ঠিতব্য ‘আর্মি চিফস কনক্লেভ’-এ অংশগ্রহণ করবেন।


উল্লেখ্য, মুজিব জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষ্যে ৪-১২ এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বহুজাতিক অনুশীলন ‘শান্তির অগ্রসেনা’ পরিচালিক হচ্ছে। এই অনুশীলনের সর্বাপেক্ষা তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায় ‘আর্মি চিফস কনক্লেভ’ যেখানে অংশগ্রহণকারী দেশসমূহের সেনা প্রধানগণসহ বিভিন্ন জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের প্রধানগণ ও বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।


সফর শেষে ভারতীয় প্রতিনিধি দলটি ১৩ এপ্রিল ২০২১ তারিখ বাংলাদেশ ত্যাগ করবেন।

মন্তব্যসমূহ