প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

আর্মেনীয় সরকারকে পদত্যাগের আহ্বান প্রেসিডেন্টের

 




নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আজারবাইজানের সঙ্গে আর্মেনিয়ার চুক্তির পর নাগরিকদের প্রতিবাদের মুখে পড়েছেন ইয়েভেনের প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান। প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই রোববার দেশটির প্রেসিডেন্ট আর্মেন সার্কিসিয়ান সরকারকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছেন। 


রাষ্ট্রপতি বলেন, সরকার পদত্যাগ করা উচিত, সর্বশেষ এক বছরের মধ্যে নতুন নির্বাচন হওয়া উচিত এবং জাতীয় চুক্তির একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা উচিত; বিশেষত একটি টেকনোক্র্যাট সরকার।


রাশিয়ার আর্মেনীয় সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠককালে প্রেসিডেন্ট আর্মেনিয়ান সরকারের সমালোচনাও করেছেন।


নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আজারবাইজানের সঙ্গে আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাসিনিয়ানের যুদ্ধবিরতির চুক্তি করেছেন। কারাবাখ থেকে সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক বলেও তিনি উল্লেখ করেন। 


তিনি বলেন, এমন সমাধান যে কোনো দেশের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা। এই সরকারের নেতৃত্ব চলে যাওয়া উচিত।  


তিনি একটি টেকনোক্র্যাট সরকার গঠন করতে পরামর্শ দেন। এতে সবাই একমত হবে বলে তিনি মনে করেন। এই সরকার ছয় মাস বা এক বছর মেয়াদের হবে এবং দেশে দ্রুত নির্বাচনের নেতৃত্ব দেবে।  


সাবেক সোভিয়েতভুক্ত দুই দেশের মধ্যে নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে যুদ্ধ চলে আসছে বহুদিন ধরে। ১৯৯১ সালে আর্মেনিয়া  নাগোরনো-কারাবাখ দখল করলে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। ওই যুদ্ধে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হন। নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। 


পরে চুক্তির মাধ্যমে যুদ্ধ বন্ধ হলেও সর্বশেষ ২৭ সেপ্টেম্বর আবারও দুই দেশ যুদ্ধে জড়ায়। আর্মেনিয়া গত ১০ নভেম্বর রাশিয়ার মধ্যস্থতায় আজারবাইজানের সঙ্গে চুক্তি করতে বাধ্য হয়।


৪৪ দিন চলা এই যুদ্ধে বাকু ৩০০টির বেশি বসতি ও এলাকা দখলমুক্ত করে।


চুক্তিটি আজারবাইজানের জয় ও আর্মেনিয়ার পরাজয়ের দলিল হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। এ চুক্তিটিকে তুরস্ক সমর্থন জানিয়েছে।  

মন্তব্যসমূহ