তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর নিয়ে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করল ভারত

  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের 'সম্ভাব্য' ভারত সফরের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তা আবার প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভারতের রাষ্ট্রপতির সচিবালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর মহড়ার কারণে আগামীকাল শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের ফোরকোর্টে 'চেঞ্জ অব গার্ড' অনুষ্ঠান হবে না। কিন্তু এর পরপরই কোনো কারণ না দেখিয়ে বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করে নেয় রাষ্ট্রপতি ভবন। এটি সফরের সময়সূচি বদলের ইঙ্গিত, নাকি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রক্রিয়াগত কোনো সমস্যা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ঘিরে টানাপড়েন এবং তারেক রহমানের সফর ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে এই কাণ্ড নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার কারণে সফর নিয়ে আলোচনা জটিল হয়ে উঠেছে।

কারাবাখ নিয়ে ফ্রান্সের নিন্দা জানিয়েছে আজারবাইজান

 




বিরোধীয় নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে ফ্রান্সের সিনেটরদের রেজ্যুলেশনের নিন্দা জানিয়েছে আজারবাইজানের পার্লামেন্ট। নাগোরনো-কারাবাখকে প্রজাতন্ত্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার আহ্বানের পরেই বৃহস্পতিবার আজেরি পার্লামেন্টে নিন্দা জানায়। 


পার্লামেন্টের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ফরাসী সিনেটেরদের এ পদক্ষেপ ইইউ কাউন্সিল কর্তৃক ২০১৬ সালে গৃহীত দেশগুলোর আঞ্চলিক অখণ্ডতা সম্পর্কিত নথি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিদেশ ও সুরক্ষা নীতি সম্পর্কিত বৈশ্বিক কৌশলে ফ্রান্সের যেসব প্রতিশ্রুতি তার সঙ্গে খাপ খায় না।


বিবৃতিতে জোর দিয়ে বলা হয়, যে কোনো দেশ এটিকে (নাগোরনো-কারাবাখ) প্রজাতন্ত্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে পারে না।  


বিবৃতিতে বলা হয়, তিন দশক থেকে নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে সংঘাত কিছু দেশের শান্তি আলোচনার নামে ভূমিকার কারণে সমাধান হয়নি।


নাগোরনো কারাবাখ শান্তিপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্যে ১৯৯২ ইউরোপ ভিত্তিক মিনস্ক গ্রুপ গঠন করা হয়। এই গ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছে- ফ্রান্স, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র। তবে এই গ্রুপটি কোনো সমাধান দিতে পারেনি। 


উল্লেখ্য, ২৫ নভেম্বর নাগোরনো-কারাবাখকে প্রজাতন্ত্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে ফ্রান্সের পার্লামেন্টে ভোট দেন দেশটির আইনপ্রণেতারা। ওই দিন সংসদে নাগোরনো-কারাবাখকে স্বাধীন প্রজাতন্ত্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে একটি রেজ্যুলেশন পাস করা হয়। এ ঘটনার পরই ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে প্রতিবাদ জানায় আজারবাইজান। 

মন্তব্যসমূহ