জাসদ কার্যালয়ে জড়ো হওয়া ২৮০-৩০০ জনকে যাচাই করা হচ্ছে: ডিসি হারুন

 রাজধানীর জাসদ কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জনকে থানায় নিয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. হারুন অর রশিদ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। ডিসি হারুন অর রশিদ বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা কোনো উদ্দেশ্যে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন—এমন তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ প্রাথমিক ব্যবস্থা নেয়। এ সময় স্থানীয় ছাত্র-জনতাও পুলিশকে সহায়তা করেছে। তিনি বলেন, কী উদ্দেশ্যে তারা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন, তাদের কাছে কী তথ্য ছিল এবং সেখানে তারা কী ধরনের কর্মকাণ্ড করেছেন—এসব বিষয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সেখানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার বিষয়ে পুলিশের কাছে কিছু তথ্য রয়েছে। এ ছাড়া তারা অন্য কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন কি না এবং কেন সেখানে একত্রিত হয়েছিলেন, সেসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে। ডিসি হারুন জানান, প্রাথমিকভাবে সেখানে জড়ো হওয়া মানুষের সংখ্যা আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাইয়ের কাজে যুক্ত থাকায় তিনি সঠিক সংখ্যা জানাতে পার...

ভূমধ্যসাগরে ফের নৌকাডুবি, ১৫ অভিবাসীর মৃত্যু

 





ভূমধ্যসাগরের লিবীয় উপকূলে আবারও নৌকাডুবে ১৫ অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে। তারা উত্তাল সাগর পথে অবৈধভাবে ইউরোপের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। বুধবার (২১ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা। 


আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার মুখপাত্র সাফা মাসহেলি জানান, নৌকাডুবির খবর পেয়ে সাগর থেকে ৫ অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার তাদের সাবরাথা শহরে ফিরিয়ে নেয়া হয়।


গেল রোববার রাতে জাওয়া শহরের পশ্চিমাঞ্চল থেকে ছেড়ে আসে অভিবাসবাহী নৌকাটি। উপকূল থেকে ২৯ কিলোমিটার দূরে গিয়ে ডুবে যায়। তারা কোন দেশের নাগরিক তা স্পষ্ট করেননি উদ্ধকারীরা।


আইওএম-এর তথ্য মতে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ২০২০ সালে ভূমধ্যসাগর হয়ে ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টাকালে নৌকা ডুবে ২৮০ অভিবাসী নিখোঁজ হন।


২০১১ সালে লিবিয়ার তৎকালীন ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে হত্যার পরই দেশটি মানবপাচারের অন্যতম রুট ব্যবহার করে আসছে দালাল চক্র। ২০১৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ২০ হাজার অভিবাসন প্রত্যাশী উত্তাল সাগরে প্রাণ হারিয়েছেন।


তবে সম্প্রতি লিবিয়া হয়ে অবৈধ উপায়ে ইউরোপে প্রবেশের ঠেকাতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন-ইইউ।

মন্তব্যসমূহ