প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

পাকিস্তানি কনস্যুলেটের কাছে ১৫ আফগান নিহত

 




পাকিস্তানের ভিসার আবেদন করতে গিয়ে পদদলিত হয়ে ১১ নারীসহ ১৫ জন আফগানিস্তানের নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার সকালে আফগানিস্তানের জালালাবাদে অবস্থিত পাকিস্তান কনস্যুলেটের কাছে এ ঘটনাটি ঘটে।


হতাহতের ঘটনায় পাকিস্তান কনস্যুলেটের কোনো কর্মকর্তা এ ব্যাপারে এখনো কোনো মন্তব্য করেননি। কাতারভিত্তিক সম্প্রচারমাধ্যম আল-জাজিরা তাদের এক প্রতিবেদনে জানায়, জালালাবাদের একটি স্টেডিয়ামে কয়েক হাজার আফগান নাগরিক পাকিস্তানের ভিসা নিয়ে আসেন। বুধবার সকালে সেখানে হুড়োহুড়ি লেগে যায়। পরে পদদলিত হয়ে ১১ নারীসহ ১৫ জনের মৃত্যু হয়।


হতাহতরা স্টেডিয়াম থেকে বের হওয়ার সময় ভিড়ের ভেতর পড়ে যান। স্টেডিয়াম এলাকার কাউন্সিল মেম্বার সোহরাব কাদেরী এ তথ্য নিশ্চিত করেন। আল জাজিরাকে তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানে যাওয়ার ভিসার আবেদন করতে ৩ হাজারের বেশি আফগান জড়ো হয়েছিলেন। নিহতদের মধ্যে ১১ জন নারী থাকার পাশাপাশি কয়েক জন সিনিয়র সিটিজেন রয়েছেন। আরও অনেকে আহত হয়েছেন।’


করোনাভাইরাসের কারণে সাত মাস বন্ধ থাকার পর আফগানিস্তানের কনস্যুলেট সেবা চালু করে পাকিস্তান। কনস্যুলেটের সামনে ভিড় জমায় অবেদনকারীদের ওই ফুটবল স্টেডিয়ামে যেতে বলা হয়। পরে সেখানে হুড়োহুড়ি লেগে হতাহতের এই ঘটনা ঘটে।


মন্তব্যসমূহ