প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

উইঘুর মুসলিমদের সঙ্গে চীন যা করছে তা গণহত্যার কাছাকাছি :‌ যুক্তরাষ্ট্র

 





জিনজিয়াংয়ে উইঘুর মুসলিমদের সঙ্গে চীন যা করছে, তা গণহত্যার কাছাকাছি বলে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা রবার্ট ও’ ব্রায়েন। গত শুক্রবার অ্যাসপেন ইনস্টিটিউট নামে একটি আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।


ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, রবার্ট ও’ ব্রায়েন উইঘুর মুসলিমদের বিষয়ে কথা বলার পাশাপাশি হংকংসহ চীনের বিরুদ্ধে জেগে ওঠা বিভিন্ন আন্দোলন নিয়েও কথা বলেন। উইঘুর মুসলিমদের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘উইঘুর নারীদের মাথা মুড়িয়ে, সেই চুল দিয়ে নানা পণ্য তৈরি করে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করছে চীন। এটি যদি গণহত্যা নাও হয়ে থাকে তবে তা গণহত্যার কাছাকাছি।’


গত কয়েক বছর ধরে চীনের উত্তর-পশ্চিমের প্রদেশ জিনজিয়াংয়ে উইঘুর মুসলিমদের উপর দেশটির সরকারের নির্যাতনের বহু চিত্র উঠে এসেছে। লাখ লাখ উইঘুর মুসলিম চীন সরকারের তৈরি বন্দীশালায় বন্দী বলে অনেক সংবাদমাধ্যমের সংবাদে উঠে এসেছে। যদিও চীন বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্র এর আগে অভিযোগ করেছিল চীন সরকার উইঘুর মুসলিমদের বন্দী করে বন্ধ্যাকরণ করেছে যাতে দেশটিতে উইঘুর মুসলিম জনগোষ্ঠী না বাড়তে পারে।


মন্তব্যসমূহ