জ্বালানি সেক্টরকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র সুকৌশলে সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী

একটি নির্দিষ্ট চক্র বেশ সুকৌশলে দেশের জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় রয়েছে এবং তারা নানাভাবে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) জাতীয় সংসদের এলডি হল প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর জ্বালানি খাত’ অনুষ্ঠানে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের বহু মানুষ এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কষ্ট ভোগ করছেন এবং সরকার সে বাস্তবতাকে একবারের জন্যও অস্বীকার করেনি। মূলত বিগত সরকারের কাছ থেকে একটি সামগ্রিক ভঙ্গুর ব্যবস্থা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গেছে।" তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, "অতীত সরকারের সময়ে গ্যাস, জ্বালানি বা পেট্রোলিয়াম খাতে অত্যন্ত অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট কিছু সুবিধাভোগী মহলকে বাড়তি সুবিধা দিতেই নেওয়া হয়েছিল এসব ক্ষতিকর নীতি। যার চূড়ান্ত খেসারত এখন দেশের সাধারণ মানুষ ও বর্তমা...

উইঘুর মুসলিমদের চীনে ফেরত পাঠাচ্ছে আরব দেশগুলো

 





উদীয়মান শক্তি চীনের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের অধিক মনোযোগী আরব দেশগুলো। সম্পর্ক উন্নয়নের অংশ হিসেবে ভিন্ন মতাবলম্বী উইঘুর মুসলিম নেতাদের আশ্রয় প্রশ্রয় দেয়ায় ইতি টানছে তারা। পালিয়ে আসা অভিবাসনপ্রত্যাশী উইঘুরদের গ্রেফতার করে চীনে ফেরত পাঠাতে শুরু করেছে। বেইজিংয়ের সাথে মিলে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মিসরসহ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলো অনেক উইঘুর শিক্ষার্থী ও ধর্মপ্রাণ ব্যক্তিদের হয়রানি করছে। অবশ্য এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে আরব দেশগুলো ও চীন।


একজন উইঘুর নারী বলেছেন, নিজের স্বামীকে পাঁচ বছর ধরে দেখছেন না তিনি। সৌদি আরবে হজ পালনের সময় তাকে গ্রেফতার করে তাকে চীনে ফেরত পাঠানো হয়। বর্তমানে তুরস্কে অবস্থান করা ওই নারী বলেছেন, আমাদের সন্তানেরা পিতৃহীন হয়ে পড়েছেন। আমরা নিজ থেকেই এখানে চলে এসেছি। চীন সরকার ২০১৪ সাল থেকে দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে জিনজিয়াং প্রদেশে স্বাধীনতাকামী উইঘুর মুসলিমদের ওপর নিপীড়নমূলক অভিযান চালিয়ে আসছে। কিরগিজস্তান, কাজাখস্তান ও মঙ্গোলিয়া সীমান্তঘেঁষা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলটি ১৯৪৯ সাল থেকে চীনের নিয়ন্ত্রণে।


জিনজিয়াং প্রদেশে প্রায় ১ কোটি উইঘুর মুসলমানের বসবাস। সেখানে তাদের আধিপত্য টেনে ধরতে চীন সরকার আদিবাসী চাইনিজ হান জাতিগোষ্ঠীর বসতি বাড়াচ্ছে। বিবিসি


মন্তব্যসমূহ