ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী

  ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হতাহতদের পরিবারের শোকাহত সদস্যদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। বর্তমান সরকার মনে করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্যই প্রতিটি অপরাধের বিচার হওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিগত ১৭ বছর এবং জুলাই আন্দোলনে যে মানুষগুলো শহীদ হয়েছেন এবং গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের নামে নিজেদের এলাকায় যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠানের নামকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে আজ বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ আশা করে এই জাদুঘর কোনো একটি দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির একক রাজনৈতিক ভাষ্য প্রতিষ্ঠার স্থান হবে না। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা দলের নয়। এই অভ্যুত্থানের মহানায়ক বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগ...

উইঘুরে মুসলিমদের ওপর নির্যাতন বন্ধের দাবিতে ১৩০ ব্রিটিশ এমপির চিঠি

 





চীনের উইঘুর মুসলিমদের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন বন্ধের দাবি জানিয়েছেন ১৩০ জন ব্রিটিশ এমপি। এ নিয়ে মঙ্গলবার ব্রিটেনে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লিউ শিয়াওমিংয়ের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন তারা। এতে সই করেছেন হাউস অব কমন্স এবং হাউস অব লর্ডসের সদস্যরা। খবর আরব নিউজের।


খবরে বলা হয়, উইঘুর মুসলিমদের প্রতি চীন যে আচরণ করে চলেছে তা অবশ্যই ‘জাতিগত নির্মূলের’ উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে। পরিকল্পিতভাবেই এ ধরনের নির্যাতন চালানো হচ্ছে। জার্মানিতে নাৎসিরা যে ধরনের অত্যাচার চালিয়েছিল উইঘুর মুসলিমদের ওপরও সেই ধরনের অত্যাচার চলছে।


জিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর মুসলিমরা কিভাবে বসবাস করছে সে সম্পর্কে সব কিছু প্রকাশ্যে আনতে হবে। বিশ্ববাসীর উদ্বেগ দূর করতেই এই পদক্ষেপ নিতে হবে বেইজিংকে। যদিও উইঘুর মুসলিমদের ওপর নির্যাতন চালানোর অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে চীনের কমিউনিস্ট সরকার।


সেখানে তারা ভয়াবহ নির্যাতনের কথা বলছেন। তাদের চলাফেরার ওপর নিয়ন্ত্রণ, বন্দিশালায় আটকে রাখা, শিশুদের বাবা-মায়ের কাছ থেকে দূরে রাখা, নিয়মিত ঘরবাড়ি তল্লাশি করা, হুমকি দেয়া এবং শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন তারা।


তবে বেইজিং দাবি করেছে, চীন সরকার সর্বদা জাতিগত সংখ্যালঘুদের বৈধ অধিকার রক্ষা করে। চীনের অন্যান্য অংশের লোকদের সঙ্গে যেমন আচরণ করা হয় উইঘুরদের সঙ্গেও একই আচরণ করা হয়।

মন্তব্যসমূহ