প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

উইঘুরে মুসলিমদের ওপর নির্যাতন বন্ধের দাবিতে ১৩০ ব্রিটিশ এমপির চিঠি

 





চীনের উইঘুর মুসলিমদের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন বন্ধের দাবি জানিয়েছেন ১৩০ জন ব্রিটিশ এমপি। এ নিয়ে মঙ্গলবার ব্রিটেনে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লিউ শিয়াওমিংয়ের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন তারা। এতে সই করেছেন হাউস অব কমন্স এবং হাউস অব লর্ডসের সদস্যরা। খবর আরব নিউজের।


খবরে বলা হয়, উইঘুর মুসলিমদের প্রতি চীন যে আচরণ করে চলেছে তা অবশ্যই ‘জাতিগত নির্মূলের’ উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে। পরিকল্পিতভাবেই এ ধরনের নির্যাতন চালানো হচ্ছে। জার্মানিতে নাৎসিরা যে ধরনের অত্যাচার চালিয়েছিল উইঘুর মুসলিমদের ওপরও সেই ধরনের অত্যাচার চলছে।


জিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর মুসলিমরা কিভাবে বসবাস করছে সে সম্পর্কে সব কিছু প্রকাশ্যে আনতে হবে। বিশ্ববাসীর উদ্বেগ দূর করতেই এই পদক্ষেপ নিতে হবে বেইজিংকে। যদিও উইঘুর মুসলিমদের ওপর নির্যাতন চালানোর অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে চীনের কমিউনিস্ট সরকার।


সেখানে তারা ভয়াবহ নির্যাতনের কথা বলছেন। তাদের চলাফেরার ওপর নিয়ন্ত্রণ, বন্দিশালায় আটকে রাখা, শিশুদের বাবা-মায়ের কাছ থেকে দূরে রাখা, নিয়মিত ঘরবাড়ি তল্লাশি করা, হুমকি দেয়া এবং শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন তারা।


তবে বেইজিং দাবি করেছে, চীন সরকার সর্বদা জাতিগত সংখ্যালঘুদের বৈধ অধিকার রক্ষা করে। চীনের অন্যান্য অংশের লোকদের সঙ্গে যেমন আচরণ করা হয় উইঘুরদের সঙ্গেও একই আচরণ করা হয়।

মন্তব্যসমূহ