জ্বালানি সেক্টরকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র সুকৌশলে সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী

একটি নির্দিষ্ট চক্র বেশ সুকৌশলে দেশের জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় রয়েছে এবং তারা নানাভাবে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) জাতীয় সংসদের এলডি হল প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর জ্বালানি খাত’ অনুষ্ঠানে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের বহু মানুষ এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কষ্ট ভোগ করছেন এবং সরকার সে বাস্তবতাকে একবারের জন্যও অস্বীকার করেনি। মূলত বিগত সরকারের কাছ থেকে একটি সামগ্রিক ভঙ্গুর ব্যবস্থা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গেছে।" তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, "অতীত সরকারের সময়ে গ্যাস, জ্বালানি বা পেট্রোলিয়াম খাতে অত্যন্ত অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট কিছু সুবিধাভোগী মহলকে বাড়তি সুবিধা দিতেই নেওয়া হয়েছিল এসব ক্ষতিকর নীতি। যার চূড়ান্ত খেসারত এখন দেশের সাধারণ মানুষ ও বর্তমা...

করোনায় দেশে আরও ২৮ জনের প্রাণহানি, আক্রান্ত ১৫৪০





দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে সর্বমোট পাঁচ হাজার ৭২ জন এই মহামারীতে মৃত্যুবরণ করেন।


বৃহ্স্পতিবার বিকালে কোভিড-১৯ রোগ নিয়ে হালনাগাদ তথ্য জানাতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য দেয়া হয়েছে।


এ সময়ে ১২ হাজার ৯০০টি নমুনা পরীক্ষা করা হলে তাদের মধ্যে এক হাজার ৫৪০ জন করোনায় পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশে সর্বমোট সংক্রমণ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ৫৫ হাজার ৩৮৪ জনে।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মহামারীতে সংক্রমণের পর নতুন করে দুই হাজার ১৩৯ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। মোট সুস্থতার সংখ্যা দাঁড়াল দুই লাখ ৬৫ হাজার ৯২ জনে।


দেশে মাসখানেক ধরে করোনায় আক্রান্ত নতুন রোগীর সংখ্যা কিছুটা কমেছে। তবে সেই তুলনায় মৃত্যুর হার কমেনি।


স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত দেশে প্রতি ১০ লাখের মধ্যে দুই হাজারের বেশি মানুষ নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।


বুধবার দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ২০০তম দিন পূর্ণ হয়েছে। ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ার কথা জানায় সরকার।


প্রথম দুই মাস সংক্রমণের গতি ছিল ধীর। মে মাসের মাঝামাঝিতে গিয়ে সংক্রমণ দ্রুত ছড়াতে শুরু করে। জুনে তা তীব্র আকার ধারণ করে।


মাসখানেক ধরে নতুন রোগী ও শনাক্তের হার কমতে শুরু করে। তবে এখন সরকার ও কোভিড-১৯ জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি আশঙ্কা করছে, শীতে আবার সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে। এ জন্য এখন থেকেই মোকাবেলার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।


গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিনে চীনের উহান থেকে প্রথম এই ভাইরাস শনাক্ত হয়। এরপর ক্রমে তা মহামারীর রূপ নিয়ে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। 

মন্তব্যসমূহ