প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

করোনায় দেশে আরও ২৮ জনের প্রাণহানি, আক্রান্ত ১৫৪০





দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে সর্বমোট পাঁচ হাজার ৭২ জন এই মহামারীতে মৃত্যুবরণ করেন।


বৃহ্স্পতিবার বিকালে কোভিড-১৯ রোগ নিয়ে হালনাগাদ তথ্য জানাতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য দেয়া হয়েছে।


এ সময়ে ১২ হাজার ৯০০টি নমুনা পরীক্ষা করা হলে তাদের মধ্যে এক হাজার ৫৪০ জন করোনায় পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশে সর্বমোট সংক্রমণ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ৫৫ হাজার ৩৮৪ জনে।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মহামারীতে সংক্রমণের পর নতুন করে দুই হাজার ১৩৯ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। মোট সুস্থতার সংখ্যা দাঁড়াল দুই লাখ ৬৫ হাজার ৯২ জনে।


দেশে মাসখানেক ধরে করোনায় আক্রান্ত নতুন রোগীর সংখ্যা কিছুটা কমেছে। তবে সেই তুলনায় মৃত্যুর হার কমেনি।


স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত দেশে প্রতি ১০ লাখের মধ্যে দুই হাজারের বেশি মানুষ নিশ্চিতভাবে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।


বুধবার দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ২০০তম দিন পূর্ণ হয়েছে। ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ার কথা জানায় সরকার।


প্রথম দুই মাস সংক্রমণের গতি ছিল ধীর। মে মাসের মাঝামাঝিতে গিয়ে সংক্রমণ দ্রুত ছড়াতে শুরু করে। জুনে তা তীব্র আকার ধারণ করে।


মাসখানেক ধরে নতুন রোগী ও শনাক্তের হার কমতে শুরু করে। তবে এখন সরকার ও কোভিড-১৯ জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি আশঙ্কা করছে, শীতে আবার সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে। এ জন্য এখন থেকেই মোকাবেলার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।


গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিনে চীনের উহান থেকে প্রথম এই ভাইরাস শনাক্ত হয়। এরপর ক্রমে তা মহামারীর রূপ নিয়ে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। 

মন্তব্যসমূহ