তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর নিয়ে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করল ভারত

  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের 'সম্ভাব্য' ভারত সফরের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তা আবার প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভারতের রাষ্ট্রপতির সচিবালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর মহড়ার কারণে আগামীকাল শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের ফোরকোর্টে 'চেঞ্জ অব গার্ড' অনুষ্ঠান হবে না। কিন্তু এর পরপরই কোনো কারণ না দেখিয়ে বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করে নেয় রাষ্ট্রপতি ভবন। এটি সফরের সময়সূচি বদলের ইঙ্গিত, নাকি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রক্রিয়াগত কোনো সমস্যা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ঘিরে টানাপড়েন এবং তারেক রহমানের সফর ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে এই কাণ্ড নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার কারণে সফর নিয়ে আলোচনা জটিল হয়ে উঠেছে।

যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গকে পুলিশের উপর্যুপরি গুলি (ভিডিও)

 



বর্নবাদী আন্দোলনের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিনে পুলিশের গুলিতে এক কৃষ্ণাঙ্গ আহত হয়েছেন। তার নাম জ্যাকব ব্লেক। এ ঘটনা ছড়িয়ে পড়তেই অঙ্গরাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষুব্ধদের দমাতে কারফিউ জারি করে কর্তৃপক্ষ। খবর রয়টার্স ও ইয়েনি শাফাকের।


এর আগে চলতি বছরের ২৫ মে মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের বৃহত্তম শহর মিনিয়াপলিসে পুলিশের হাতে জর্জ ফ্লয়েড নামের এক কৃষ্ণাঙ্গ নিহত হন। এরপরই বর্ণবাদবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে গোটা যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ।


উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে উদ্ধৃত করে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলো জানায়, রোববার সন্ধ্যায় জ্যাকব ব্লেক নামের ওই কৃষ্ণাঙ্গকে কয়েকবার গুলি করে পুলিশ। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ব্লেককে পরপর ৭টি গুলি করে পুলিশ।


গুলির ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ বের হয়। এতে দেখা গেছে অঙ্গরাজ্যের কেনোসা শহরে গাড়িতে ওঠার জন্য ব্লেক যখন হেঁটে যাচ্ছেন। এ সময় তাকে অনুসরণ করছে দুই পুলিশ সদস্য।


ব্লেক গাড়ির দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে গুলি করে তাদেরই একজন। এর প্রতিবাদে হাজার হাজার মানুষ পথে নেমে আসে। সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে তারা। বিক্ষোভকারীদের ঠেকাতে টিয়ার গ্যাস ছোড়ে পুলিশ।


বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষের জেরে রাতভর কারফিউ জারি করা হয়।


এ ঘটনায় কেনোসা পুলিশ বিভাগ বলছে, একটি ‘পারিবারিক ঘটনার’ মীমাংসা করতে পুলিশ সদস্যদেরকে ডাকা হয়েছিল। গুলিতে আহত ব্লেককে পুলিশই হাসপাতালে নিয়ে গেছে। তবে কেন তাকে গুলি করা হল সে ব্যাপারে ওই বিবৃতিতে বিস্তারিত জানানো হয়নি।


ঘটনায় জড়িত পুলিশ সদস্যদেরকে প্রশাসনিক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে বলে সোমবার সকালে জানিয়েছে উইসকনসিনের আইন মন্ত্রণালয়। অঙ্গরাজ্যটির অপরাধ তদন্ত বিভাগ এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে বলে জানানো হয়।

মন্তব্যসমূহ