তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর নিয়ে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করল ভারত

  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের 'সম্ভাব্য' ভারত সফরের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তা আবার প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভারতের রাষ্ট্রপতির সচিবালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর মহড়ার কারণে আগামীকাল শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের ফোরকোর্টে 'চেঞ্জ অব গার্ড' অনুষ্ঠান হবে না। কিন্তু এর পরপরই কোনো কারণ না দেখিয়ে বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করে নেয় রাষ্ট্রপতি ভবন। এটি সফরের সময়সূচি বদলের ইঙ্গিত, নাকি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রক্রিয়াগত কোনো সমস্যা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ঘিরে টানাপড়েন এবং তারেক রহমানের সফর ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে এই কাণ্ড নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার কারণে সফর নিয়ে আলোচনা জটিল হয়ে উঠেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি চীন: এফবিআই



যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘দীর্ঘমেয়াদে সবচেয়ে বড় হুমকি’ হিসেবে আবির্ভূত হতে যাচ্ছে চীন। যে কোনো উপায়ে পরাশক্তি হওয়ার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে দেশটি। এ জন্য গুপ্তচরগিরি ও চৌর্যবৃত্তি করে যাচ্ছে তারা।


মঙ্গলবার ওয়াশিংটনের হাডসন ইনস্টিটিউটে দেয়া বক্তৃতায় যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার (এফবিআই) পরিচালক ক্রিস্টোফার রে এসব মন্তব্য করেছেন।

ঘণ্টাখানেকের ওই বক্তৃতায় তিনি বলেন, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বিষয়াদি, দরকারি ডাটা সব বিষয়েই চরবৃত্তি করছে বেইজিং। যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করতে তারা ঘুষ ও ব্ল্যাকমেইলের আশ্রয় নিচ্ছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের করোনাভাইরাস সম্পর্কিত গবেষণার তথ্য পাওয়ারও চেষ্টা করছে।


‘প্রয়োজনে যে কোনো উপায়ে বিশ্বের একমাত্র পরাশক্তি হতে চীন তার সমগ্র রাষ্ট্রকে কাজে লাগাচ্ছে,’ বলেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের তদন্ত সংস্থার এ পরিচালক আরও বলেন, এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছি আমরা যে এফবিআইকে এখন প্রতি ১০ ঘণ্টায় একটি করে চীন সংক্রান্ত কাউন্টার ইন্টিলিজেন্স মামলা খোলা লাগছে। এখন প্রায় ৫ হাজারের মতো কাউন্টার ইন্টিলিজেন্স মামলা সক্রিয় আছে, এর অর্ধেকই চীন সংক্রান্ত।

চীনা গুপ্তচরবৃত্তির পাল্টা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রও এখন দেশটির ব্যাপারে ব্যাপক গোয়েন্দা তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানান সিআইএ প্রধান।

চীনের হুমকি বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী সামনের সপ্তাহগুলোতে বিস্তারিত জানাবেন বলেও জানান তিনি। 

মন্তব্যসমূহ