আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা

  পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকিরের ‘ক্রসফায়ার’ ও সাংবাদিকদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। সচিবালয়ের পিআইডি সম্মেলনকক্ষে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে রাষ্ট্রীয় সফরে দেশের বাইরে রয়েছেন। দেশে ফেরার পর তিনি বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবেন। সম্প্রতি রাজধানীর চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেন, সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করা হবে। একই অনুষ্ঠানে পুলিশের সমালোচনা করা সাংবাদিকদের নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করেন তিনি। আইজিপির বক্তব্যের পর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সরকারের অবস্থান এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সোমবার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেওয়া ব্যাখ্যায় জানানো হয়েছে, আইজিপি ‘ক্রসফায়ার’ বলতে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বোঝাননি। সাংবাদিকদের নিয়ে করা মন্তব্যের বিষয়েও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। উপদেষ্টার মতে, আইজিপি নিজেই ...

আরব দেশগুলোকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে ঠেকাবে আমেরিকা!



মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও দাবি করেছেন, তার দেশ ইরানের কথিত ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকি মোকাবিলা করার জন্য পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোকে সহযোগিতা করবে। তিনি গতকাল (বৃহস্পতিবার) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে প্রকাশিত দৈনিক ন্যাশনালকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

পম্পেও তার ভাষায় বলেন, ‘ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হুমকি’ থেকে পারস্য উপসাগরীয় আরব দেশগুলোকে রক্ষা করার জন্য এসব দেশের সঙ্গে বহুমুখী সহযোগিতা গড়ে তুলেছে ওয়াশিংটন। এ সময় তিনি দাবি করেন, ইরানের ওপর জাতিসংঘের আরোপিত অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করা না হলে গোটা পশ্চিম এশিয়ার স্থিতিশীলতা বিপন্ন হবে।

পাশ্চাত্যের সঙ্গে তেহরানের স্বাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতা লঙ্ঘন করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে বলে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করেন।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এমন সময় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে আরব দেশগুলোর ক্ষতি হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিলেন যখন তেহরান সব সময় বলে এসেছে, তার ক্ষেপণাস্ত্রসহ অন্যান্য সামরিক শক্তি প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য কোনো হুমকি নয়। ইরান বলেছে, দেশটি কারো ওপর হামলা চালাবে না তবে আক্রান্ত হলে আগ্রাসী শক্তিকে দাঁতভাঙা জবাব দেয়া হবে।

পার্সটুডে

মন্তব্যসমূহ