প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

করোনা ভাইরাস: চীনের যে শহরে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি ঘোষণা



করোনা ভাইরাসের কারণে চীনের একটি শহরে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে সেখানে মানুষ চলাচলে নিষেধ করা হয়।

বিবিসির খবরে বলা হয়, জিনজিয়াং অঞ্চলের রাজধানী উরুমকিতে নতুন করে ১৭ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর ফলে সেখানে চলাচলে কড়া বিধিনিষেধ জারি করা হয়।

স্বায়ত্তশাসিত জিনজিয়াং অঞ্চলে মোট বাসিন্দা প্রায় ৩৫ লাখ। চীনের উহানে করোনা উৎপত্তির বেশ কয়েকমাস পর গত বুধবার থেকে সর্বশেষ সংক্রমণগুলো শনাক্ত শুরু হয়।

এরপরই ওই শহর থেকে সকল বিমান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। শহরটির সাবওয়ে চলাচলও স্থগিত করা হয়।

একজন কর্মকর্তা সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, পুরো শহরটিতে এখন থেকে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি থাকবে এবং দলগত সব ধরণের কর্মকাণ্ড বন্ধ থাকবে।

গত বছর চীনের উহান শহরে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর থেকে দেশটির অন্যান্য এলাকায় কম সংখ্যক করোনা রোগী পাওয়া গেছে।

সংক্রমণ বা মৃত্যুর তালিকায় প্রথম ২০টি দেশ বা অঞ্চলের মধ্যেও এখন চীন নেই।

জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির তথ্য অনুযায়ী, চীনে ৮৫ হাজারের কিছু বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে চার হাজার ৬০০ জন।

মন্তব্যসমূহ