প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

পদ্মার গর্ভে ‘চরের বাতিঘর’



মাদারীপুরে পদ্মানদীর প্রবল স্রোতে একটি তিনতলা স্কুল নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে শিবচর উপজেলার বন্দরখোলা ইউনিয়নের নুরুদ্দিন মাদবরকান্দি এস ই এস ডি পি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ভবনটি নদীতে বিলীন হয়ে যায়। এছাড়া ঝুঁকিতে রয়েছে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।

মাদারীপুর জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, শিবচরের চরাঞ্চলে ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত নুরুদ্দিন মাদবরকান্দি এস ই এস ডি পি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়টি। বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা এক হাজারের বেশি। পদ্মার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিদ্যালয়টির ভবন সকাল থেকেই হেলে পড়ে। একপর্যায়ে বিকেলে এটি নদীতে বিলীন হয়ে যায়। এছাড়া ভাঙ্গন ঝুঁকিতে রয়েছে বন্দরখোলা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, কমিউনিটি ক্লিনিক ভবন, একাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। ভাঙ্গন প্রতিরোধে জিও ব্যাগ ডাম্পিং চালিয়ে যাচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
 
মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন জানান, মাদারীপুরের চারটি উপজেলার ২৮টি ইউনিয়নের মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। তাদের জন্য ৩০৪ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

এছাড়া চার হাজার শুকনা খাবারের প্যাকেট হাতে হাতে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। পানিবৃদ্ধি পাওয়ায় ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। ইতিমধ্যে ৮০৬টি পরিবার নদী ভাঙ্গনের শিকার হয়েছে। পানিবন্দী মানুষের জন্য ১৯টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে ১ হাজার ৫৭৭ জন মানুষ অবস্থান নিয়েছেন। পরিস্থিতি মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসনের পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছেন।

মন্তব্যসমূহ