আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা

  পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকিরের ‘ক্রসফায়ার’ ও সাংবাদিকদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। সচিবালয়ের পিআইডি সম্মেলনকক্ষে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে রাষ্ট্রীয় সফরে দেশের বাইরে রয়েছেন। দেশে ফেরার পর তিনি বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবেন। সম্প্রতি রাজধানীর চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেন, সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করা হবে। একই অনুষ্ঠানে পুলিশের সমালোচনা করা সাংবাদিকদের নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করেন তিনি। আইজিপির বক্তব্যের পর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সরকারের অবস্থান এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সোমবার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেওয়া ব্যাখ্যায় জানানো হয়েছে, আইজিপি ‘ক্রসফায়ার’ বলতে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বোঝাননি। সাংবাদিকদের নিয়ে করা মন্তব্যের বিষয়েও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। উপদেষ্টার মতে, আইজিপি নিজেই ...

কাশ্মির ইস্যুতে মধ্যস্থতার প্রস্তাব জাতিসঙ্ঘের, নাকচ নয়াদিল্লির



কাশ্মির সমস্যা সমাধানে জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে নয়াদিল্লি। ভারত পাকিস্তান রাজি থাকলে কাশ্মির সমস্যা সমাধানে প্রস্তুত জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। ইসলামাবাদে এই ঘোষণার এক ঘন্টার মধ্যেই ভারত জানিয়ে দেয়, ‘কাশ্মীর ইস্যুতে তৃতীয়পক্ষের মধ্যস্থতার কোনো সুযোগ নেই।’

চার দিনের সফরে পাকিস্তানে গিয়েছেন জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। সেখানেই তিনি বলেন, ‘দুই দেশ রাজি থাকলে সীমান্ত সমস্যা সমাধানে মধ্যস্থতায় আমি রাজি। শুরু থেকেই একথা বলেছি।’ নিয়ন্ত্রণ রেখায় উভয় দেশেরই সংযত হওয়া উচিত বলে জানান গুতারেস।

এই প্রসঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র রাবীশ কুমার বলেন, ‘জম্মু-কাশ্মির নিয়ে ভারতের অবস্থানগত বদল ঘটেনি। জম্মু-কাশ্মির ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে এবং থাকবে। বেআইনিভাবে পাকিস্তান যেসব অঞ্চলগুলো দখল করে রেখেছে, সেগুলোর দিকে বিশেষভাবে নজর দেয়া প্রয়োজন। কাশ্মির সমস্যা দ্বিপক্ষীয় বিষয়। তাই দু’দেশের মধ্যে এটি আলোচিত হবে। এক্ষেত্রে তৃতীয়পক্ষের হস্তক্ষেপের কোনো সুযোগ বা প্রয়োজন নেই। তার সংযোজন, ‘পাকিস্তানের বেআইনি বহু পদক্ষেপে ভারতীয়দের জীবন, মানবাধিকার বিপন্ন। বরং সেদিকে দৃষ্টিপাত করুন জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব’

জম্মু-কাশ্মির নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে মধ্যস্থতা করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একাধিক বার তার সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছে ভারতের মোদি সরকার।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মোহাম্মদ কুরেশির সঙ্গে বৈঠকের পর অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলেন, ‘কাশ্মিরের বর্তমান পরিস্থিতি এবং নিয়ন্ত্রণরেখায় ঘটে চলা ক্রমবর্ধমান সহিংসতার ঘটনায় আমি অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। শান্তি রক্ষায় কূটনীতি ও আলোচনাই একমাত্র পথ। জাতিসঙ্ঘ সনদ কার্যকর হওয়া প্রয়োজন ও যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হোক। এতেই মানবাধিকার রক্ষা পাবে।’
সূত্র : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

মন্তব্যসমূহ