প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

কাশ্মির ইস্যুতে মধ্যস্থতার প্রস্তাব জাতিসঙ্ঘের, নাকচ নয়াদিল্লির



কাশ্মির সমস্যা সমাধানে জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে নয়াদিল্লি। ভারত পাকিস্তান রাজি থাকলে কাশ্মির সমস্যা সমাধানে প্রস্তুত জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। ইসলামাবাদে এই ঘোষণার এক ঘন্টার মধ্যেই ভারত জানিয়ে দেয়, ‘কাশ্মীর ইস্যুতে তৃতীয়পক্ষের মধ্যস্থতার কোনো সুযোগ নেই।’

চার দিনের সফরে পাকিস্তানে গিয়েছেন জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। সেখানেই তিনি বলেন, ‘দুই দেশ রাজি থাকলে সীমান্ত সমস্যা সমাধানে মধ্যস্থতায় আমি রাজি। শুরু থেকেই একথা বলেছি।’ নিয়ন্ত্রণ রেখায় উভয় দেশেরই সংযত হওয়া উচিত বলে জানান গুতারেস।

এই প্রসঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র রাবীশ কুমার বলেন, ‘জম্মু-কাশ্মির নিয়ে ভারতের অবস্থানগত বদল ঘটেনি। জম্মু-কাশ্মির ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে এবং থাকবে। বেআইনিভাবে পাকিস্তান যেসব অঞ্চলগুলো দখল করে রেখেছে, সেগুলোর দিকে বিশেষভাবে নজর দেয়া প্রয়োজন। কাশ্মির সমস্যা দ্বিপক্ষীয় বিষয়। তাই দু’দেশের মধ্যে এটি আলোচিত হবে। এক্ষেত্রে তৃতীয়পক্ষের হস্তক্ষেপের কোনো সুযোগ বা প্রয়োজন নেই। তার সংযোজন, ‘পাকিস্তানের বেআইনি বহু পদক্ষেপে ভারতীয়দের জীবন, মানবাধিকার বিপন্ন। বরং সেদিকে দৃষ্টিপাত করুন জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব’

জম্মু-কাশ্মির নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে মধ্যস্থতা করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একাধিক বার তার সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছে ভারতের মোদি সরকার।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মোহাম্মদ কুরেশির সঙ্গে বৈঠকের পর অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলেন, ‘কাশ্মিরের বর্তমান পরিস্থিতি এবং নিয়ন্ত্রণরেখায় ঘটে চলা ক্রমবর্ধমান সহিংসতার ঘটনায় আমি অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। শান্তি রক্ষায় কূটনীতি ও আলোচনাই একমাত্র পথ। জাতিসঙ্ঘ সনদ কার্যকর হওয়া প্রয়োজন ও যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হোক। এতেই মানবাধিকার রক্ষা পাবে।’
সূত্র : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

মন্তব্যসমূহ