তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর নিয়ে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করল ভারত

  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের 'সম্ভাব্য' ভারত সফরের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তা আবার প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভারতের রাষ্ট্রপতির সচিবালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর মহড়ার কারণে আগামীকাল শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের ফোরকোর্টে 'চেঞ্জ অব গার্ড' অনুষ্ঠান হবে না। কিন্তু এর পরপরই কোনো কারণ না দেখিয়ে বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করে নেয় রাষ্ট্রপতি ভবন। এটি সফরের সময়সূচি বদলের ইঙ্গিত, নাকি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রক্রিয়াগত কোনো সমস্যা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ঘিরে টানাপড়েন এবং তারেক রহমানের সফর ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে এই কাণ্ড নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার কারণে সফর নিয়ে আলোচনা জটিল হয়ে উঠেছে।

কাল অস্ট্রেলিয়ায় ১০ হাজার উট গুলি করে মারা হবে!



আগামীকাল- বুধবার অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের ১০ হাজারেরও বেশি উট গুলি করে মারার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের আনানজু পিতজানৎজাতজারা ইয়ানকুনিৎজাতজারা ল্যান্ডস (এওয়াইপি) এলাকার এক আদিবাসী নেতা এ নির্দেশ দিয়েছেন।

এক আদিবাসী নেতার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আদেশ আসার পর উটগুলো মারার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।  বুধবার হেলিকপ্টার থেকে বন্য এ উটগুলোকে গুলি করে মারার প্রক্রিয়া শুরু হবে। প্রশিক্ষিত শুটার দিয়ে এ উটগুলো মারতে কয়েকদিন সময় লেগে যেতে পারে বলে জানা গেছে।

এতগুলো উট একসঙ্গে মারার কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণাঞ্চল খুবই খরাপ্রবণ এলাকা। যে কারণে এ অঞ্চলে পানির খুব সংকট রয়েছে। বন্য এই উটগুলো খুব বেশি করে পানি খেয়ে নিচ্ছে। পানির খোঁজে তাদের বিচরণের কারণে সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। এছাড়া মিথেন গ্যাস সৃষ্টির জন্যও দায়ী তারা।

এওয়াইপির নির্বাহী বোর্ডের সদস্য মারিতা বেকার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, আমরা যে অঞ্চলে থাকি সেখানে খুব গরম পড়ে। খুবই অস্বস্তিকর পরিবেশের মধ্যে আছি। এর মধ্যে উটগুলোর উৎপাত আমাদের বিষিয়ে তুলেছে। তারা পানির জন্য ঘরবাড়িতে হানা দিচ্ছে, বেড়া ভেঙে দিচ্ছে। ক্ষেত মাড়িয়ে এসে ফসলের ক্ষতি করছে।

দেশটির জাতীয় বন্য উট ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা বিভাগের দাবি, এই উটদের সংখ্যা যদি নিয়ন্ত্রণ করা না যায়, তাহলে প্রতি নয় বছরে সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যাবে। দেশটির কর্তৃপক্ষ বলছে, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্যও উট দায়ী। প্রতি বছর তাদের মলমূত্র থেকে যে পরিমাণ মিথেন গ্যাস বের হয় তা এক টন কার্বনডাই অক্সাইডের সমপরিমাণ।

কার্বনডাই অক্সাইড নিয়ন্ত্রণে কাজ করা কার্বন ফার্মিং স্পেশালিস্টস রিজেনকোর প্রধান নির্বাহী টিম মুরে বলেন, এক মিলিয়ন উট প্রতিবছর এক টনের সমপরিমাণ কার্বন নিঃসরণের জন্য দায়ী। অর্থাৎ, ৪ লাখ গাড়ি থেকে যে পরিমাণ কার্বন নিঃসরণ হয়, সেই পরিমাণ কার্বন ডাই অক্সাইড সৃষ্টির জন্য দায়ী উট। অবশ্য দেশটির জ্বালানি ও পরিবেশ বিভাগ বলছে, বন্য উটগুলো যে পরিমাণ কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণ করছে, তা দেশের হিসাবে আসবে না। কারণ তারা গৃহপালিত না।

সূত্র-ডেইলি মেল, নিউজ ডটকম ডট এইউ, দ্য হিল

মন্তব্যসমূহ

Unknown বলেছেন…
উটগুলো না হত্যা করে শিপে করে বাংলাদেশে আনলে ভালো হয় না,আমাদের গো-মাংসের প্রচুর অভাব,ওদের এ ভাবে হত্যা করা ঠিক হবে না ! ১০ হাজার উটের মাংস একদিনেই বাংলাদেশে শেষ হয়ে যাবে,আমি মনে করি কাউকে এবিষয়টা নিয়ে ভাবা উচিত !
Unknown বলেছেন…
উটগুলো না হত্যা করে শিপে করে বাংলাদেশে আনলে ভালো হয় না,আমাদের গো-মাংসের প্রচুর অভাব,ওদের এ ভাবে হত্যা করা ঠিক হবে না ! ১০ হাজার উটের মাংস একদিনেই বাংলাদেশে শেষ হয়ে যাবে,আমি মনে করি কাউকে এবিষয়টা নিয়ে ভাবা উচিত !
Unknown বলেছেন…
উটগুলো না হত্যা করে শিপে করে বাংলাদেশে আনলে ভালো হয় না,আমাদের গো-মাংসের প্রচুর অভাব,ওদের এ ভাবে হত্যা করা ঠিক হবে না ! ১০ হাজার উটের মাংস একদিনেই বাংলাদেশে শেষ হয়ে যাবে,আমি মনে করি কাউকে এবিষয়টা নিয়ে ভাবা উচিত !