আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা

  পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকিরের ‘ক্রসফায়ার’ ও সাংবাদিকদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। সচিবালয়ের পিআইডি সম্মেলনকক্ষে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে রাষ্ট্রীয় সফরে দেশের বাইরে রয়েছেন। দেশে ফেরার পর তিনি বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবেন। সম্প্রতি রাজধানীর চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেন, সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করা হবে। একই অনুষ্ঠানে পুলিশের সমালোচনা করা সাংবাদিকদের নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করেন তিনি। আইজিপির বক্তব্যের পর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সরকারের অবস্থান এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সোমবার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেওয়া ব্যাখ্যায় জানানো হয়েছে, আইজিপি ‘ক্রসফায়ার’ বলতে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বোঝাননি। সাংবাদিকদের নিয়ে করা মন্তব্যের বিষয়েও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। উপদেষ্টার মতে, আইজিপি নিজেই ...

বাংলাদেশি সন্দেহে ২০০ মুসলিমের ঘর ভাঙল ভারতীয় পুলিশ



ভারতের ব্যাঙ্গালোরে বাংলাদেশিদের বস্তি সন্দেহে প্রায় ২০০ বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে। অবৈধ বাংলাদেশিদের বস্তি সন্দেহে পুলিশ ও পৌরসভা কর্তৃপক্ষ মিলে এ অভিযান পরিচালনা করে।

তবে যাদের বাড়িঘর ভাঙা হয়েছে, তারা সবাই ভারতের নাগরিক এবং তাদের কাছে দেশটির বৈধ পরিচয়পত্রও আছে বলে অ্যাক্টিভিস্টরা বলছেন।

অ্যাক্টিভিস্টদের অভিযোগ, স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক অরবিন্দ লিম্বাভালি সোশ্যাল মিডিয়ায় তথাকথিত অবৈধ বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে লাগাতার উসকানিমূলক পোস্ট করে চলেছেন। এর ভিত্তিতেই পুলিশ বাংলাভাষী মুসলিমদের বিরুদ্ধে নির্বিচারে এই অভিযান শুরু করে।

ব্যাঙ্গালোরের বেলান্ডার শহরতলিসহ আরও কয়েকটি জায়গায় তথাকথিত অবৈধ বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে এ অভিযান শুরু হয় শনিবার রাতে। দফায় দফায় তা চলে রোববারও। মঙ্গলবার এ খবর দিয়েছে দ্য হিন্দু।

এনজিও কর্মী আর কলিমুল্লা জানান, ‘কুন্দনহাল্লি, মোনেকালাসহ মোট চারটি জায়গায় পুলিশ একসঙ্গে বুলডোজার নিয়ে হানা দেয়।

তারা বলে, বাংলাদেশিদের দুই ঘণ্টার মধ্যে ঘর খালি করে দিতে হবে। আমি ও আমাদের টিম তাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও কোনো লাভ হয়নি। পুলিশ ঘরে ঢুকে খাবার পানির পাত্রও লাথি মেরে উল্টে দেয়। কেটে দেয় বিদ্যুৎ সংযোগ। সঙ্গে চলতে থাকে বাংলাদেশিদের নামে গালাগালি।’

স্থানীয় একটি টিভি চ্যানেল ‘সুবর্ণা নিউজে’ দাবি করা হতে থাকে, তাদের স্টিং অপারেশনেই ফাঁস হয়েছে ওই বস্তির বাসিন্দারা ‘বাংলাদেশি’। চ্যানেলটির দাবি, পুলিশকে ঘুষ দিয়ে তারা ভারতের কাগজপত্র বানিয়েছে। আর তা প্রকাশ হয়ে পড়াতেই নাকি পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়েছে।

ব্যাঙ্গালোরের পুলিশ কমিশনার ভাস্কর রাও দাবি করেছেন, সুনির্দিষ্ট খবরের ভিত্তিতেই তারা ব্যবস্থা নিয়েছেন। তবে আইনজীবী ও সমাজকর্মী দর্শনা মিত্র বিবিসির কাছে ভিন্ন ছবি তুলে ধরেছেন।

তিনি বলেন, ‘এখানে কোনো বাছবিচারের ব্যাপারই নেই। এবারের ঘটনায় লোকজন তাদের পরিচয়পত্র বা আইডি দেখাতে চেয়েছিল। কিন্তু ব্যাঙ্গালোর পুলিশ তা চেক করারও প্রয়োজন বোধ করেনি।’

মন্তব্যসমূহ