হিজবুল্লাহর ভয়াবহ রকেট হামলা, প্রতিরোধে ব্যর্থ ইসরাইল

লেবানন থেকে ফিলিস্তিনির হাইফা এবং গালিলি অঞ্চলের দিকে অন্তত ৩৫টি রকেট ছোঁড়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী। সেনা সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ লেবানন থেকে এই রকেট হামলা চালানো হয়, এবং এসব রকেট হাইফা এবং পশ্চিম গালিলির দখলকৃত অঞ্চলে আঘাত হানে। জায়নিস্ট গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ইসরাইলি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কোনো রকেট বিধ্বস্ত করতে সক্ষম হয়নি। হাইফা শহরের বিভিন্ন এলাকায় রকেট হামলার সতর্কবার্তা শোনার খবর পাওয়া গেছে। আল-মায়াদিন টিভি চ্যানেল জানায়, হাইফার উত্তরে আল-কিরিওত এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। জায়নিস্ট গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, দখলকৃত পশ্চিম গালিলির ইয়ারা শহরে এক ভবন হিজবুল্লাহর মিসাইল হামলায় পুড়ে যায়। অপরদিকে, আভিভিম, ইয়রাউনসহ ওপরের গালিলির বেশ কয়েকটি শহরে রকেট হামলার সতর্কবার্তা বাজানো হয়। সূত্র: মেহের নিউজ

জাতিসংঘের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব মানবতার সঙ্গে প্রতারণা: এরদোগান

 সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় ঘৌতায় জাতিসংঘের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের কঠোর সমালোচনা করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান।

যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আসাদ সরকার পূর্বাঞ্চলীয় ঘৌতায় তার অভিযান অব্যাহত রেখেছেন। সেখানে এখনো বেসামরিক নাগরিকদেরকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে এবং এর ফলে ব্যাপক সংখ্যক হতাহতের ঘটনা ঘটছে।

মঙ্গলবার পার্লামেন্টে ক্ষমতাসীন একে পার্টির সংসদীয় বৈঠকে এরদোগান বলেন, ‘পূর্ব ঘৌতায় সাম্প্রতিক ঘটনাগুলি হজম করা আমাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। তারা মানবতার উপযুক্ত নয়।’


গত ২৪ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘের সিকিউরিটি কাউন্সিলে পাস হওয়া ৩০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রসঙ্গে এরদোগান বলেন, ‘যে রেজল্যুশন কখনো কার্যকর হয়নি, মানবতার জন্য তার কোনো অর্থ নেই।’

তুর্কি প্রেসিডেন্ট জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলের বিরুদ্ধে ‘মানবতার সঙ্গে প্রতারণার’ অভিযোগ এনে বলেন, বিশ্বকে প্রতারিত করার জন্য বিশ্ব সংস্থাটি এই ধরনের প্রস্তাব পাস করেছে। এর মাধ্যমে তারা আসলে বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘঠিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।’

এর আগে এরদোগান পাঁচ স্থায়ী সদস্যদের জন্য নিরাপত্তা পরিষদের গঠন কাঠামোর কড়া সমালোচনা করেন। তিনি যুক্তি দেন যে ‘পাঁচ শক্তির চেয়ে বিশ্ব অনেক বড়।’

হোয়াইট হেলমেটস সিভিল ডিফেন্স এজেন্সির তথ্যানুযায়ী, যুদ্ধবিরতি পাস হওয়া সত্ত্বেও গত দুই সপ্তাহে পূর্ব ঘৌতায় এলাকায় প্রায় ৭৫৬ জন লোক নিহত হয়েছে।

দামেস্কের শহরতলির পূর্ব ঘৌতায় প্রায় ৪ লাখ মানুষের বাস। গত পাঁচ বছরে শহরটি অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।

গত আট মাসে আসাদ সরকারের বাহিনী এটির দখল নিতে অভিযান জোরদার করেছে। ফলে সেখানকার হাজার হাজার বেসামরিক নাগরিকদের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য ও ঔষধ পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

সূত্র: ডেইলি সাবাহ

মন্তব্যসমূহ