প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

ওয়াশিংটনে এরদোগান বিরোধী বিক্ষোভে আহত ৯, আটক ২

ওয়াশিংটনে তুর্কি দূতাবাসের বাইরে এরদোগান বিরোদীরা বিক্ষোভ করেছে। এই বিক্ষোভে অন্তত ৯ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এসসময় অন্তত দু'জনকে আটক করা হয়েছে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হোয়াইট হাউসে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকের পর এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভকারীরা শেরিডান সার্কেল বন্ধ করে দেন।

তুর্কি রাষ্ট্রদূতের বাসভবনের বাইরে প্রায় দুই ডজন মানুষকে এই বিক্ষোভে অংশ নিতে দেখা গেছে।


বাল্টিমোরের ফ্লিন্ট আর্থার সিএনএনকে বলেন, ‘আমরা তুরস্ক, সিরিয়া এবং ইরাক নিয়ে এরদোগানের নীতির প্রতিবাদ করছি।’


তবে, বিরোধীদের মধ্যে কি নিয়ে বিভেদ শুরু হয়েছিল তা স্পষ্ট নয়। তাদের এক পক্ষকে স্লোগানসহ কুর্দি পতাকা ও এরদোগান বিরোধী পোস্টার বহন করতে দেখা গেছে। এসময় অন্যদের তুর্কি পতাকা নেড়ে স্লোগান দিতে দেখা যায়।

একজন টুইট করেছে জানান যে, বিক্ষোভকারী ও পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যে সম্ভবত এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।


একজন জানান, এরদোগানের নিরাপত্তা সদস্যরা এই সংঘর্ষে জড়িত ছিল। মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে এরদোগানকে স্বাগত জানান।

ওভাল অফিসে এরদোগানকে স্বাগত জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের মধ্য একটি চমৎকার সম্পর্ক রয়েছে এবং এই সম্পর্কে আরো উন্নত করতে হবে। আমরা একটি দৃঢ় এবং সলিড আলোচনার জন্য উন্মুখ হয়ে আছি।’


মধ্য এপ্রিলের গণভোটে জয়ী হওয়ার জন্য ট্রাম্প এরদোগানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছিলেন।

ট্রাম্পের প্রশংসা সত্ত্বেও, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক তেমন মধুর নয়। এরদোগানের সঙ্গে আমেরিকার নীতি সম্পর্কে তুর্কি নেতা এক বিশাল অভিযোগের তালিকা নিয়ে এসেছেন।

সূত্র: আরটি ডটকম

মন্তব্যসমূহ