প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

জার্মানিতে হিজাবি মুসলিম নারীরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন

জার্মানিতে হিজাব পরিহিত মুসলিম নারীরা বিভিন্ন ধরনের বৈষম্যমূলক আচরণের শিকার হলেও তাদের অধিকাংশই এ বিষয়ে কোন অভিযোগ দায়ের করেন না।

দেশটির ফেডারেল এন্টি ডিসক্রিমিনেশন এজেন্সির (এডিএস) প্রধান একথা বলেন।

আনাদোলু এজেন্সিকে দেয়া সাম্প্রতিক একটি সাক্ষাত্কারে এন্টি ডিসক্রিমিনেশন এজেন্সির ক্রিস্টিন লাউডার্স বলেন, জার্মানির শ্রম বাজারে, ফিটনেস ক্লাবগুলিতে কিংবা অ্যাপার্টমেন্টের ভাড়া দেয়া-নেয়ার সময় হিজাব পরিহিত নারীরা প্রায়ই বৈষম্যের সম্মুখীন হয়।


তিনি বলেন, ‘অনেক মানুষই জানে না যে জার্মানিতে হিজাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা নিষিদ্ধ।’

তিনি আরো বলেন, ‘ফিটনেস স্টুডিও কিংবা নিয়োগকর্তারা ধর্মীয় প্রতীক পরিধান করেন এমন ব্যক্তিদের জন্য এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে না।’

লাইডার্সের তথ্যানুযায়ী, ফেডারেল অ্যান্টি-ডিসক্রিম্যানেশন এজেন্সি ২০১৬ সাল থেকে ২১,০০০টিরও বেশি বৈষম্যমূলক অভিযোগ পেয়েছে। কিন্তু তাদের মধ্যে মাত্র ৩০০টি হিজাব পরিহিত মহিলাদের দ্বারা দায়ের করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘যদিও এই পরিসংখ্যান প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে বেশি কিছু বলতে পারে না।’

লাইডার্স বলেন, ‘সাধারণভাবে, যখন আমরা বৈষম্যের কথা বলি তখন সেখানে সর্বদা অপ্রকাশিত অনেক বৈষ্যমের ঘটনা থাকে। কারণ অনেক মানুষ বৈষম্যমূলক আচরণকে অনকেটা নিরবে সহ্য করে যায় কিংবা এ বিষয়ে কোথায় সহায়তা পেতে পারে সেসম্পর্কে তারা জানে না।’

জার্মানি প্রায় ৪.৭ মিলিয়ন মুসলমান বাস করে। জার্মান সংবিধান দ্বারা দেশটির সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষা করা হয়েছে।

তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মুসলিম বিরোধিতার উত্থানের ফলে হিজাব পরিহিত মুসলিম নারীরা চরম বৈষম্য মুখোমুখি হচ্ছেন। শরণার্থী সংকটকে কেন্দ্র করে দেশটির কয়েকটি ডানপন্থী দল মুসলিম বিরোধী প্রচারণা চালাচ্ছে।

মন্তব্যসমূহ