প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

কাশ্মীরে ফেসবুক ট্যুইটারসহ ২২টি সোশ্যাল মিডিয়া সাইট বন্ধ করল ভারত

ভারত অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ও ট্যুইটারসহ মোট ২২টি সোশ্যাল মিডিয়া সাইট বুধবার থেকেই বন্ধ করে দিয়েছে সরকার।

নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে হিজবুল কমান্ডার বুরহান ওয়ানি নিহত হওয়ার পর থেকেই দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে উপত্যকা। মাঝে কিছুদিনের জন্য আন্দোলন স্তিমিত হলেও, সম্প্রতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ফের অশান্তি মাথাচাড়া দেয়।

সম্প্রতি কাশ্মীরে প্রতিবাদীদের উপর ভারতীয় বাহিনীর অত্যাচারের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। এর ফলে উপত্যকার পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে উঠতে থাকে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় রাশ টানতে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের নির্দেশে কাশ্মীরে গত ১৭ এপ্রিল থেকেই থ্রি-জি ও ৪জি মোবাইল পরিষেবা বন্ধ রয়েছে। এমনকী ব্রডব্যান্ড পরিষেবাও ২জি স্পিডে নামিয়ে আনা হয়েছে।

বুধবার এক নির্দেশে জানানো হয়েছে, উপত্যকা সংক্রান্ত কোনো ছবি, মেসেজ, ভিডিও সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের মাধ্যমে কাশ্মীরে ছড়ানো যাবে না। পরবর্তী নির্দেশ না-আসা পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।

নিষেধাজ্ঞা চাপানোর কারণ হিসেবে বলা হয়, একটা মহল সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের অপব্যবহার করছে। যার জেরে উপত্যকা অঞ্চলের শান্তি বিঘ্নিত হচ্ছে। আরটিএনএন

মন্তব্যসমূহ