প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

মেয়েকে হত্যা করে বাবার আত্মহত্যা 'ফেসবুক লাইভে'

থাইল্যান্ডে এক ব্যক্তি ফেসবুক 'লাইভে' তার শিশু কন্যাকে হত্যা করার পর নিজেও আত্মহত্যা করেছে।
থাই পুলিশ বলছে, ফুকেত শহরে সোমবার এক পরিত্যক্ত হোটেলের ছাদে ২১ বছর বয়স্ক লোকটি তার মেয়েকে ফাঁসি দিয়ে হত্যা করে, এবং তার পর সে নিজেরও ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করে। খবরে বলা হয়, লোকটির সাথে তার স্ত্রীর ঝগড়া হয়েছিল।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ক্লিভল্যান্ডের ৭৪ বছরের বৃদ্ধকে হত্যা করছে এক ব্যক্তি - এমন এক ফুটেজ ঘন্টার পর ঘন্টা ধরে অনলাইনে থাকার পর ফেসবুক কর্তৃপক্ষ তাদের নীতি পুনর্বিবেচনার অঙ্গীকার করে। এরপর ১৫ দিন না যেতেই আবার ফেসবুক লাইভে হত্যাকান্ড ঘটলো।
মঙ্গলবার বিকেলেও ফেসবুকে ভিডিওটি দেখা যাচ্ছিল। থাই ব্যক্তিটির নাম প্রকাশ করা হয় নি। তবে তার আত্মীয়স্বজনরা ওই ফুটেজ দেখে পুলিশকে খবর দেয়, কিন্তু কর্তৃপক্ষ যখন সেখানে পৌঁছায় তখন আর তাদের বাঁচানো যায় নি।
পরে হাসপাতাল থেকে তাদের লাশ গ্রহণ করে আত্মীয়স্বজন ও মেয়েটির মা।
থাই মিডিয়াতে এই ঘটনার খবর ব্যাপক প্রচার পায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেএ ঘটনায় ক্রোধ ও সমবেদনা প্রকাশ করেন।
ফেসবুকের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে কোন মন্তব্য পাওয়া যায় নি। একজন প্রতিনিধি বলেছেন তারা ঘটনার ব্যাপারে খোঁজখবর নিচ্ছেন।
এর আগে গত জুন ও জুই মাসে দুটি মৃত্যুর ঘটনা ফেসবুক লাইভে প্রচার করা হয়। এর একটি ছিল শিকাগোতে মাথায় ও ঘাড়ে গুলিবিদ্ধ একজন লোকের মৃত্যুর দৃশ্য, আর অপরটি ঘটে মিনিয়াপলিসে । পুলিশের গুলিতে এক ব্যক্তির মৃত্যু দৃশ্য লাইভে প্রচার করেন তারই মেয়েবন্ধু।
ফেসবুক লাইভে এ ছাড়াও যৌন নিপীড়ন, প্রাণীর ওপর অত্যাচার এবং আত্মহত্যার দৃশ্য প্রচার হয়েছে বলে বিভিন্ন সময় খবর বেরিয়েছে।
ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ সম্প্রতি স্বীকার করেছেন যে এসব ঘটনার ব্যাপারে তাদের আরো অনেক কিছু করার আছে। বিবিসি

মন্তব্যসমূহ