তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর নিয়ে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করল ভারত

  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের 'সম্ভাব্য' ভারত সফরের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তা আবার প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভারতের রাষ্ট্রপতির সচিবালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর মহড়ার কারণে আগামীকাল শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের ফোরকোর্টে 'চেঞ্জ অব গার্ড' অনুষ্ঠান হবে না। কিন্তু এর পরপরই কোনো কারণ না দেখিয়ে বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করে নেয় রাষ্ট্রপতি ভবন। এটি সফরের সময়সূচি বদলের ইঙ্গিত, নাকি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রক্রিয়াগত কোনো সমস্যা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ঘিরে টানাপড়েন এবং তারেক রহমানের সফর ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে এই কাণ্ড নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার কারণে সফর নিয়ে আলোচনা জটিল হয়ে উঠেছে।

মেয়েকে হত্যা করে বাবার আত্মহত্যা 'ফেসবুক লাইভে'

থাইল্যান্ডে এক ব্যক্তি ফেসবুক 'লাইভে' তার শিশু কন্যাকে হত্যা করার পর নিজেও আত্মহত্যা করেছে।
থাই পুলিশ বলছে, ফুকেত শহরে সোমবার এক পরিত্যক্ত হোটেলের ছাদে ২১ বছর বয়স্ক লোকটি তার মেয়েকে ফাঁসি দিয়ে হত্যা করে, এবং তার পর সে নিজেরও ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করে। খবরে বলা হয়, লোকটির সাথে তার স্ত্রীর ঝগড়া হয়েছিল।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ক্লিভল্যান্ডের ৭৪ বছরের বৃদ্ধকে হত্যা করছে এক ব্যক্তি - এমন এক ফুটেজ ঘন্টার পর ঘন্টা ধরে অনলাইনে থাকার পর ফেসবুক কর্তৃপক্ষ তাদের নীতি পুনর্বিবেচনার অঙ্গীকার করে। এরপর ১৫ দিন না যেতেই আবার ফেসবুক লাইভে হত্যাকান্ড ঘটলো।
মঙ্গলবার বিকেলেও ফেসবুকে ভিডিওটি দেখা যাচ্ছিল। থাই ব্যক্তিটির নাম প্রকাশ করা হয় নি। তবে তার আত্মীয়স্বজনরা ওই ফুটেজ দেখে পুলিশকে খবর দেয়, কিন্তু কর্তৃপক্ষ যখন সেখানে পৌঁছায় তখন আর তাদের বাঁচানো যায় নি।
পরে হাসপাতাল থেকে তাদের লাশ গ্রহণ করে আত্মীয়স্বজন ও মেয়েটির মা।
থাই মিডিয়াতে এই ঘটনার খবর ব্যাপক প্রচার পায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেএ ঘটনায় ক্রোধ ও সমবেদনা প্রকাশ করেন।
ফেসবুকের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে কোন মন্তব্য পাওয়া যায় নি। একজন প্রতিনিধি বলেছেন তারা ঘটনার ব্যাপারে খোঁজখবর নিচ্ছেন।
এর আগে গত জুন ও জুই মাসে দুটি মৃত্যুর ঘটনা ফেসবুক লাইভে প্রচার করা হয়। এর একটি ছিল শিকাগোতে মাথায় ও ঘাড়ে গুলিবিদ্ধ একজন লোকের মৃত্যুর দৃশ্য, আর অপরটি ঘটে মিনিয়াপলিসে । পুলিশের গুলিতে এক ব্যক্তির মৃত্যু দৃশ্য লাইভে প্রচার করেন তারই মেয়েবন্ধু।
ফেসবুক লাইভে এ ছাড়াও যৌন নিপীড়ন, প্রাণীর ওপর অত্যাচার এবং আত্মহত্যার দৃশ্য প্রচার হয়েছে বলে বিভিন্ন সময় খবর বেরিয়েছে।
ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ সম্প্রতি স্বীকার করেছেন যে এসব ঘটনার ব্যাপারে তাদের আরো অনেক কিছু করার আছে। বিবিসি

মন্তব্যসমূহ