তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর নিয়ে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করল ভারত

  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের 'সম্ভাব্য' ভারত সফরের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তা আবার প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভারতের রাষ্ট্রপতির সচিবালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর মহড়ার কারণে আগামীকাল শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের ফোরকোর্টে 'চেঞ্জ অব গার্ড' অনুষ্ঠান হবে না। কিন্তু এর পরপরই কোনো কারণ না দেখিয়ে বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করে নেয় রাষ্ট্রপতি ভবন। এটি সফরের সময়সূচি বদলের ইঙ্গিত, নাকি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রক্রিয়াগত কোনো সমস্যা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ঘিরে টানাপড়েন এবং তারেক রহমানের সফর ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে এই কাণ্ড নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার কারণে সফর নিয়ে আলোচনা জটিল হয়ে উঠেছে।

ছাত্রলীগ ক্যাডার, অস্ত্রশিক্ষা, ঢাবিতে নিয়োগ, দ্রুত পদোন্নতি

২০১৪ সালের ঘটনা। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) লাগোয়া সবুজ গাছগাছালিতে ঘেরা মফিজ লেক। নির্জন এ স্থানটিতে সাধারণ মানুষের আনাগোনা কম। আর ওই সুযোগে সেখানে অস্ত্রের প্রশিক্ষণ দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সজিবুল ইসলাম সজিব। ওই নেতার কাছে অস্ত্রচালনার প্রশিক্ষণ নেন দুই শিক্ষক।

ওই দুই শিক্ষকের একজন মতিয়ার রহমান। তখন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। ২০১৬ সালের ১৭ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ পান মতিয়ার। চলতি বছর ৩০ মার্চ অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় তিনি সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পান।

ছাত্রলীগ নেতা সজিবের কাছে প্রশিক্ষণ নেওয়া দুই শিক্ষকের আরেক জন হলেন তৎকালীন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের সাবেক শিক্ষক আজিজুল হক মামুন। মামুন ছাত্রলীগের সোহাগ-নাজমুল কমিটির সহসভাপতি ছিলেন।

ওই ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা সজীবকে সাময়িক বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ঘটনায় পরোক্ষভাবে জড়িত থাকার অভিযোগে ইবির তৎকালীন প্রক্টর ড. মাহবুবকেও প্রক্টর থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে জানতে মতিয়ার রহমানকে একাধিকবার ফোন দিলে নম্বরটি বন্ধ দেখায়।

পরিসংখ্যান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম এ জলিল এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘ওই শিক্ষককে নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টা সম্পর্কে আমার জানা ছিল না। তবে খোঁজ নিয়ে দেখব।’

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে আমি জানতাম না, তবে শুনেছি। তবে এ বিষয়টি কতটুকু সত্য তা খোঁজ নেওয়া হবে।’ এনটিভি

মন্তব্যসমূহ