প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

ছাত্রলীগ ক্যাডার, অস্ত্রশিক্ষা, ঢাবিতে নিয়োগ, দ্রুত পদোন্নতি

২০১৪ সালের ঘটনা। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) লাগোয়া সবুজ গাছগাছালিতে ঘেরা মফিজ লেক। নির্জন এ স্থানটিতে সাধারণ মানুষের আনাগোনা কম। আর ওই সুযোগে সেখানে অস্ত্রের প্রশিক্ষণ দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সজিবুল ইসলাম সজিব। ওই নেতার কাছে অস্ত্রচালনার প্রশিক্ষণ নেন দুই শিক্ষক।

ওই দুই শিক্ষকের একজন মতিয়ার রহমান। তখন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। ২০১৬ সালের ১৭ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ পান মতিয়ার। চলতি বছর ৩০ মার্চ অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় তিনি সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পান।

ছাত্রলীগ নেতা সজিবের কাছে প্রশিক্ষণ নেওয়া দুই শিক্ষকের আরেক জন হলেন তৎকালীন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের সাবেক শিক্ষক আজিজুল হক মামুন। মামুন ছাত্রলীগের সোহাগ-নাজমুল কমিটির সহসভাপতি ছিলেন।

ওই ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা সজীবকে সাময়িক বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ঘটনায় পরোক্ষভাবে জড়িত থাকার অভিযোগে ইবির তৎকালীন প্রক্টর ড. মাহবুবকেও প্রক্টর থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে জানতে মতিয়ার রহমানকে একাধিকবার ফোন দিলে নম্বরটি বন্ধ দেখায়।

পরিসংখ্যান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম এ জলিল এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘ওই শিক্ষককে নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টা সম্পর্কে আমার জানা ছিল না। তবে খোঁজ নিয়ে দেখব।’

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে আমি জানতাম না, তবে শুনেছি। তবে এ বিষয়টি কতটুকু সত্য তা খোঁজ নেওয়া হবে।’ এনটিভি

মন্তব্যসমূহ