তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর নিয়ে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করল ভারত

  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের 'সম্ভাব্য' ভারত সফরের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তা আবার প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভারতের রাষ্ট্রপতির সচিবালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর মহড়ার কারণে আগামীকাল শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের ফোরকোর্টে 'চেঞ্জ অব গার্ড' অনুষ্ঠান হবে না। কিন্তু এর পরপরই কোনো কারণ না দেখিয়ে বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করে নেয় রাষ্ট্রপতি ভবন। এটি সফরের সময়সূচি বদলের ইঙ্গিত, নাকি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রক্রিয়াগত কোনো সমস্যা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ঘিরে টানাপড়েন এবং তারেক রহমানের সফর ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে এই কাণ্ড নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার কারণে সফর নিয়ে আলোচনা জটিল হয়ে উঠেছে।

ট্রাম্পকে সতর্ক করল জার্মানি

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং ন্যাটো সামরিক জোটের ঐক্য ক্ষতিগ্রস্ত করার বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সতর্ক করে দিয়েছেন জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী উরসুলা ভন ডের লিয়েন।

৫৩তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের প্রথম দিনে শুক্রবার তিনি এ সতর্কবাণী উচ্চারণ করেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের আমেরিকার বন্ধুরা বেশ ভালো করেই জানেন যে, ইইউ এবং ন্যাটো নিয়ে মার্কিন সরকারের বক্তব্যের পর পুরো মহাদেশের ঐক্যের ওপর তার সরাসরি প্রভাব পড়ে।’


তিনি বলেন, স্থিতিশীল ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রেরও স্বার্থ রয়েছে।

রাশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য ঘনিষ্ঠতার বিষয়ে উরসুলা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, এর মাধ্যমে ইউরোপের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

উরসুলা অভিযোগ করেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিদ্বন্দ্বী রাশিয়ার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং ইইউ’র ঐক্য বিনাশী নীতি নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেন বের হয়ে যাওয়ার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার প্রশংসা করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এছাড়া, গত বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস ম্যাটিস বলেছেন, বিশ্বের সবচেয়ে সেরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভোগ করতে হলে ন্যাটো সদস্য দেশগুলোকে নায্যভাবে অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

তিনি বেশ পরিষ্কার করেই বলেছেন, মার্কিন সমর্থন পাওয়ার বিনিময়ে ন্যাটো জোটের মিত্র দেশগুলোর উচিত হবে যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থ পরিশোধ করা।

যুক্তরাষ্ট্রের এসব বক্তব্যের জবাবে জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী কঠোর ভাষায় মার্কিন সরকারকে সতর্ক করলেন।

বিল্ড অবলম্বনে

মন্তব্যসমূহ