কক্সবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী

 কক্সবাজারের মহেশখালীর উদ্দেশে হেলিকপ্টারে চড়ে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ রোববার (৯ আগস্ট) সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে তিনি তেজগাঁও বিমান বন্দর থেকে মহেশখালীর উদ্দেশে রওনা হয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মহেশখালীতে মাতাবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন। সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রী বন্যাকবলিত বাঁশখালী ও হাটহাজারী এলাকায় যাবেন এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে নতুন ঘর হস্তান্তর করবেন। প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি : সকাল সাড়ে ১০টায় মহেশখালীর মাতাবাড়ির গভীর সমুদ্র বন্দর, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প ও মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পের কার্যক্রম পরিদর্শন, বেলা সাড়ে ১২টায় মহেশখালীর বাহারছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম বাশখালী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে আয়োজিত সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের অনুষ্ঠানে যোগদান, দুপুর ২টায় ফটিকছড়ির আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলম বাবুনগর মাদ্রাসায় আল্লাম শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ, সোয়া ৩টায় হাটহাজারীর আল জ...

পাকিস্তানে কোরআনের ৫০ লাখেরও অধিক পুরনো কপির সংরক্ষণ

পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর কোয়েটায় একটি পাহাড়ে পবিত্র কোরআনের ৫০ লাখেরও অধিক পুরনো কপির সংরক্ষণ করা হয়েছে।

দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর কোয়েটায় অবস্থিত অপার্থিব ধনভান্ডারে পূর্ণ ওই পাহাড়ে সারাদেশ থেকে পুরাতন ও ছেঁড়ে-ফাটা কোরআনের পান্ডুলিপি জমা নেয়া হয়।

জমা হওয়া পান্ডুলিপির তুলনামূলকভাবে অক্ষত কিংবা সংস্কার করলে পাঠের উপযোগী হবে।


সেগুলো সেলাই ও বাঁধাই করে পাঠের উপযোগী করা হয়।

অন্যগুলোকে অপবিত্রতা ও অমর্যাদা থেকে রক্ষা করতে সমাহিত করা হয়।

‘জাবালে নুর’ নামে পরিচিত ওই পাহাড়ে ছোট ছোট অনেক খোপ রয়েছে। খোপগুলো দেখতে অনেকটা মৌচাকের মতো। এগুলো পরিপূর্ণ হয়েছে বাক্স ভর্তি কোরআনে কারিমের পুরনো পান্ডুলিপি দিয়ে। পাহাড়টি দেখতে হাজার হাজার দর্শনার্থী আসেন। পাহাড়টির রক্ষণাবেক্ষণকারীরা জানান, এখানে এমন কিছু কোরআনের কপি রয়েছে যেগুলো ৬০০ বছরেরও বেশি পুরনো।

জাবালে নূরের পরিচালক হাজী মুজাফফর আলী বলেন, ‘আমরা কমপক্ষে ৫০ লাখেরও বেশি কোরআনের কপি এখানে সমাহিত করেছি।’

কোয়েটা পর্বতকে কোরআনবেষ্টিত করার পেছনের মানুষটির নাম আবদুস সামাদ লাহিরি। বর্তমানে তার বয়স আশির কাছাকাছি। আগে ব্যবসা করতেন। বর্তমানে ছেলেদের কাছে ব্যবসা সমর্পণ করে পর্বতেই সময় কাটান বেশি।

কোরআন সংরক্ষণের প্রতি তার এমন আগ্রহ জন্মায় ১৯৫৬ সালে। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তার বসবাসের বাসার চারপাশ ছিল ঔষধ এবং সংবাদপত্রে ঘেরা। তিনি একটি পত্রিকা নেন যেটাতে পবিত্র কাবাঘরের একটি ছবি ছিল, এটা তার এক বন্ধুর গাড়ির মেঝেতে পড়া অবস্থায় পেয়েছেন। তিনি সেটা তুলে নেন এবং প্রতিজ্ঞা করেন যে, আজীবন তিনি পবিত্র সব ছবি এবং বাণীর রক্ষণাবেক্ষণে কাজ করে যাবেন।

১৯৯২ সালে আবদুস সামাদ লাহিরি ও তার ভাই আবদুর রশিদ কোয়েটার পাহাড়ি এলাকায় ইজারা নিয়ে পাথর ভাঙার ব্যবসা শুরু করেন। কিন্তু তারা দেখলেন ইজারাকৃত সম্পত্তির খুব অল্প জায়গাই ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহৃত হয়। তখন তিনি বলেন, ‘আমি এ পাহাড়টিকে কোরআনের পান্ডুলিপি সমাহিত করার কাজে ব্যবহার করবো। সেই সময় থেকে পবিত্র কোরআনের পুরনো কপি সংরক্ষণের কাজ করে আসছেন তিনি।

জিও নিউজ উর্দু অবলম্বনে।

মন্তব্যসমূহ