আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা

  পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকিরের ‘ক্রসফায়ার’ ও সাংবাদিকদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। সচিবালয়ের পিআইডি সম্মেলনকক্ষে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে রাষ্ট্রীয় সফরে দেশের বাইরে রয়েছেন। দেশে ফেরার পর তিনি বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবেন। সম্প্রতি রাজধানীর চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেন, সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করা হবে। একই অনুষ্ঠানে পুলিশের সমালোচনা করা সাংবাদিকদের নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করেন তিনি। আইজিপির বক্তব্যের পর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সরকারের অবস্থান এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সোমবার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেওয়া ব্যাখ্যায় জানানো হয়েছে, আইজিপি ‘ক্রসফায়ার’ বলতে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বোঝাননি। সাংবাদিকদের নিয়ে করা মন্তব্যের বিষয়েও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। উপদেষ্টার মতে, আইজিপি নিজেই ...

পাকিস্তানে কোরআনের ৫০ লাখেরও অধিক পুরনো কপির সংরক্ষণ

পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর কোয়েটায় একটি পাহাড়ে পবিত্র কোরআনের ৫০ লাখেরও অধিক পুরনো কপির সংরক্ষণ করা হয়েছে।

দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর কোয়েটায় অবস্থিত অপার্থিব ধনভান্ডারে পূর্ণ ওই পাহাড়ে সারাদেশ থেকে পুরাতন ও ছেঁড়ে-ফাটা কোরআনের পান্ডুলিপি জমা নেয়া হয়।

জমা হওয়া পান্ডুলিপির তুলনামূলকভাবে অক্ষত কিংবা সংস্কার করলে পাঠের উপযোগী হবে।


সেগুলো সেলাই ও বাঁধাই করে পাঠের উপযোগী করা হয়।

অন্যগুলোকে অপবিত্রতা ও অমর্যাদা থেকে রক্ষা করতে সমাহিত করা হয়।

‘জাবালে নুর’ নামে পরিচিত ওই পাহাড়ে ছোট ছোট অনেক খোপ রয়েছে। খোপগুলো দেখতে অনেকটা মৌচাকের মতো। এগুলো পরিপূর্ণ হয়েছে বাক্স ভর্তি কোরআনে কারিমের পুরনো পান্ডুলিপি দিয়ে। পাহাড়টি দেখতে হাজার হাজার দর্শনার্থী আসেন। পাহাড়টির রক্ষণাবেক্ষণকারীরা জানান, এখানে এমন কিছু কোরআনের কপি রয়েছে যেগুলো ৬০০ বছরেরও বেশি পুরনো।

জাবালে নূরের পরিচালক হাজী মুজাফফর আলী বলেন, ‘আমরা কমপক্ষে ৫০ লাখেরও বেশি কোরআনের কপি এখানে সমাহিত করেছি।’

কোয়েটা পর্বতকে কোরআনবেষ্টিত করার পেছনের মানুষটির নাম আবদুস সামাদ লাহিরি। বর্তমানে তার বয়স আশির কাছাকাছি। আগে ব্যবসা করতেন। বর্তমানে ছেলেদের কাছে ব্যবসা সমর্পণ করে পর্বতেই সময় কাটান বেশি।

কোরআন সংরক্ষণের প্রতি তার এমন আগ্রহ জন্মায় ১৯৫৬ সালে। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তার বসবাসের বাসার চারপাশ ছিল ঔষধ এবং সংবাদপত্রে ঘেরা। তিনি একটি পত্রিকা নেন যেটাতে পবিত্র কাবাঘরের একটি ছবি ছিল, এটা তার এক বন্ধুর গাড়ির মেঝেতে পড়া অবস্থায় পেয়েছেন। তিনি সেটা তুলে নেন এবং প্রতিজ্ঞা করেন যে, আজীবন তিনি পবিত্র সব ছবি এবং বাণীর রক্ষণাবেক্ষণে কাজ করে যাবেন।

১৯৯২ সালে আবদুস সামাদ লাহিরি ও তার ভাই আবদুর রশিদ কোয়েটার পাহাড়ি এলাকায় ইজারা নিয়ে পাথর ভাঙার ব্যবসা শুরু করেন। কিন্তু তারা দেখলেন ইজারাকৃত সম্পত্তির খুব অল্প জায়গাই ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহৃত হয়। তখন তিনি বলেন, ‘আমি এ পাহাড়টিকে কোরআনের পান্ডুলিপি সমাহিত করার কাজে ব্যবহার করবো। সেই সময় থেকে পবিত্র কোরআনের পুরনো কপি সংরক্ষণের কাজ করে আসছেন তিনি।

জিও নিউজ উর্দু অবলম্বনে।

মন্তব্যসমূহ