নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনকে গলা কেটে হত্যা

  নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুরে চারজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যার শিকার সবাই একই পরিবারের সদস্য।  সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে নিয়ামতপুর থানার বাহাদুরপুর ইউনিয়নে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। সকাল ৮টার দিকে ওই গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিয়ামতপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহতরা হলেন বাহাদুরপুর গ্রামের হাবিবুর রহমান (৩৫), তার স্ত্রী পপি খাতুন (৩০) এবং তাদের ছেলে পারভেজ হোসেন (১০) ও মেয়ে সাদিয়া খাতুন (৩)। নিহতদের মধ্যে হাবিবুর ও তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তাদের সন্তান পারভেজ ও সাদিয়া মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। পারভেজ বাহাদুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা করত। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে হাবিবুর রহমানের বাবা নমির হোসেন ছেলের ঘরের দরজার সামনে রক্ত দেখতে পান। সন্দেহ হলে তিনি ভেতরে প্রবেশ করে খাটের ওপর চাদর দিয়ে ঢাকা অবস্থায় চারজনের লাশ দেখতে পান। পরে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন জড়ো হন এবং পুলিশে খবর দেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হাবিবুর রহমান পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী ছ...

ফিলিপাইনে কারাগারে হামলা চালিয়ে ১৫০ বন্দি ছিনতাই

ফিলিপাইনের একটি কারাগারে হামলা চালিয়ে ১৫০ বন্দিকে ছিনিয়ে নিয়ে গেছে সন্ত্রাসীরা।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে ফিলিপাইনের কিদাপাওয়ান শহরের উত্তর কোতাবাতো জেলা কারাগারে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশের ধারণা, দেশটির সবচেয়ে বড় মুসলিম বিদ্রোহীগোষ্ঠী মোরো ইসলামিক লিবারেশন ফ্রন্ট (এমআইএলএফ) ওই ছিনতাইয়ে জড়িত। তবে এ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার দায় স্বীকার করেনি কোনো পক্ষ।

হামলার বিষয়ে কারারক্ষী পিটার বোনগাট জানান, কারাগারে এক হাজার ৫১১ জন বন্দি রয়েছে। তাদের মধ্যে পালিয়ে যেতে পেরেছেন ১৫৮ জন। তবে পরে চারজনকে আবার আটক করা হয়।

পিটার বলেন, ‘এটা পুরোপুরি পরিকল্পিত ছিল। পালানোর সময় বন্দিরা কম্বল ব্যবহার করেছিল। আমরা তাঁদের খুঁজতে অভিযান শুরু করেছি।’

তবে এ ধরনের ঘটনা ফিলিপাইনে এই প্রথম নয়। এর আগেও কয়েকবার বন্দি পালিয়েছে ফিলিপাইনের বিভিন্ন জেল থেকে। গত বছরের আগস্ট মাসেই ২৩ বন্দিকে কারাগার থেকে মুক্ত করে নিয়ে যায় বিদ্রোহীরা।

এর আগে ২০০৯ সালে দেশটির বাসিলান দ্বীপের একটি কারাগারে হামলা চালায় সশস্ত্র ১০০ সন্ত্রাসী। সে সময় তারা ৩১ বন্দিকে মুক্ত করে নিয়ে যায়। আল-জাজিরা


মন্তব্যসমূহ