গণহত্যায় জড়িত হয়ে ক্ষমা না চাইলে রাজনীতিতে ঠাঁই নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে যারা জড়িত এবং এসব অপকর্মের জন্য যাদের কোনো অনুশোচনা নেই, দেশের মানুষ তাঁদের রাজনীতি বরদাশত করবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) সকালে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নবনির্মিত ফ্ল্যাট উদ্বোধন ও পরবর্তীতে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। বিদেশে বসে ষড়যন্ত্র বরদাশত নয় অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিদেশে বসে একটি নির্দিষ্ট চক্রান্তকারী গোষ্ঠী বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে দেশের জনগণ সচেতন এবং তাদের এই ষড়যন্ত্রমূলক অপতৎপরতায় কোনো কাজ হবে না বলে তিনি জোর দাবি করেন। অপরাধীদের ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ স্পষ্ট করে বলেন, "যারা গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য সরাসরি দায়ী, অথচ এখনও পর্যন্ত এসব অপরাধের জন্য বিন্দুমাত্র অনুতপ্ত নয় এবং দেশের মানুষের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চায়নি, তাদের কোনো ধরনের রাজনীতি বাংলাদেশের মাটিতে ঠাঁই পাবে না।" অনুষ্ঠানে স...

রোহিঙ্গা শরণার্থী দেখতে কক্সবাজার যাচ্ছেন ইন্দোনেশিয়ার মন্ত্রী

রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে ইয়াঙ্গনে আসিয়ান দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শেষে সোমবার রাতেই ঢাকায় আসছেন ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো মারসুদি।

পরে মায়ানমারে নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দেখতে কক্সবাজারের উখিয়া যাবেন তিনি।

মঙ্গলবার সকাল ৮টায় পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হকের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাড়ে ৮টায় তার সঙ্গেই হেলিকপ্টারযোগে উখিয়া যাবেন মারসুদি। এরপর সন্ধ্যায় ফিরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।


বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রাখাইন রাজ্যে সেনা অভিযানে বহু রোহিঙ্গাকে হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগের পর এ নিয়ে বিস্ময়কর নীরবতা দেখানোয় শান্তিতে নোবেল বিজয়ী সু চির বিরুদ্ধে বিস্তর সমালোচনা হচ্ছে।

প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলো থেকে তৈরি হয়েছে দারুণ চাপ, বিশেষ করে মালয়েশিয়া সরকার সরাসরি অভিযোগ করেছে, রাখাইনে রোহিঙ্গাদের উপর গণহত্যা চালানো হয়েছে এবং এজন্য দায়ী ইয়াঙ্গনের সরকার।

এরকম প্রেক্ষাপটে সু চি সোমবার সেখানে আসিয়ানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক ডেকেছেন শুধুমাত্র রোহিঙ্গা ইস্যুতে কথা বলার জন্য।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকায় পৌঁছবেন মারসুদি।

সীমান্তবর্তী রাষ্ট্র হওয়ার কারণে রাখাইন প্রদেশে চলমান সহিংসতার প্রভাব বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে পড়ছে।

প্রায় প্রতিদিনই প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে রোহিঙ্গা শরণার্থীরা বাংলাদেশে আসছে। অনেককেই ফিরিয়ে দিচ্ছে বাংলাদেশী সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিজিবি।

তারপরও বিজিবির নজরদারি এড়িয়ে যে পরিমাণ শরণার্থী বাংলাদেশে প্রবেশ করে এখন অবস্থান করছে, জাতিসংঘের হিসেবে তার সংখ্যা হবে অন্তত ২৭ হাজার। বিবিসি 

আরো পড়ুন:
রোহিঙ্গা ইস্যুতে ঢাকায় আসছেন ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্যসমূহ