ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী

  ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হতাহতদের পরিবারের শোকাহত সদস্যদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। বর্তমান সরকার মনে করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্যই প্রতিটি অপরাধের বিচার হওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিগত ১৭ বছর এবং জুলাই আন্দোলনে যে মানুষগুলো শহীদ হয়েছেন এবং গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের নামে নিজেদের এলাকায় যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠানের নামকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে আজ বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ আশা করে এই জাদুঘর কোনো একটি দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির একক রাজনৈতিক ভাষ্য প্রতিষ্ঠার স্থান হবে না। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা দলের নয়। এই অভ্যুত্থানের মহানায়ক বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগ...

খেলা-জগৎকে নাড়িয়ে দেওয়া ভয়াবহ কয়েকটি বিমান দুর্ঘটনা


মাঝ আকাশে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। বলিভিয়া থেকে কলম্বিয়া যাওয়ার সময় মাঝ আকাশে একটি যাত্রিবাহী বিমান ভেঙে পড়ে। ৭২ জন যাত্রীর মধ্যে ছিল ব্রাজিলের একটি ফুটবল টিমও। কোপা সুদামেরিকা ফাইনাল ম্যাচ খেলতে যাচ্ছিল ব্রাজিল ফুটবল টিম ক্যাপিকোয়েন্স। এখনও পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা জানা যায়নি। এর আগেও বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাতে হয়েছে স্পোর্টসম্যানদের। ফুটবল, হকি, বক্সিং, রাগবির মতো বিভিন্ন স্পোর্টসের খেলোয়াড়রা অকালে প্রাণ হারিয়েছিলেন বিমান দুর্ঘটনায়। এক বার ইতিহাসের পাতা উল্টে দেখে নেওয়া যাক কবে কোথায় এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে।


৮ নভেম্বর,১৯৪৮- চেকোস্লোভাকিয়া জাতীয় আইস হকি টিম বিমান দুর্ঘটনায় পড়েছিলো ফ্রান্সের দিপ্পেতে। ৬ জন খেলোয়ার প্রাণ হারান।

৪ মে ১৯৪৯- ইতালীয় ফুটবল ক্লাব টরিনো এসির ২৩ জন্য খেলোয়ার মারা যান ইতালির তুরিনে। অ্যাভিও লাইনি ইতালিয়ান বিদাম দুর্ঘটনায় প্রাণ যায় তাদের।

৫ জানুয়ারী,১৯৫০- রাশিয়ার ইয়েক্যাটারিনর্গে ভিভিএস মস্কো আইস হকি টিমের সবাই প্রাণ হারান বিমান দুর্ঘটনায়। ১১ জন ছিলেন ওই টিমে।

৯ ডিসেম্বর, ১৯৫৬-  কানাডার একটি ফুটবল টিমের ৫ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন কানাডার চিলিওয়াকের কাছে বিমান দুর্ঘটনায়।
৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৮- ক্রীড়াজগতে আরও একটি কালো দিন। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড টিমের ৮ খেলোয়ারসহ দলের ৩ সদস্য বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। ঘটনাটি ঘটে জার্মানির মিউনিখে।

১৬ জুলাই ১৯৬০- ডেনমার্কের কোপেনহাগেন একটি বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ডেনমার্কের ফুটবল অলিম্পিকের ৮ খেলোয়াড়।

২৯ অক্টোবর ১৯৬০- ক্যালিফোর্নিয়া পলিটেকনিক স্টেট ইউনিভার্সিটির ১৭ জন ফুটবল খেলোয়াড় বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের টলেডোতে।

২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৬৯- বলিভিয়ার ফুটবল ক্লাবের দ্য ষ্ট্রংগেস্ট টিমের ১৯জন মারা গিয়েছিলেন।

১৪নভেম্বর ১৯৭০- আমেরিকান ফুটবল টিম মার্শাল ইউনিভার্সিটির ৪৫ জন খেলোয়াড় মারা যান। ঘটনাটি ঘটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েন কান্ট্রি।

২৭এপ্রিল ১৯৯৩- জাম্বিয়ার জাতীয় ফুটবল টিমের সবাই মারা গিয়েছিলেন জাম্বিয়ান বিমান দুর্ঘটনায়। টিমে ছিলেন ২২ জন খেলোয়াড়।

১জুন ২০০২- দক্ষিন আফ্রিকান ক্রিকেটার হ্যান্সি ক্রোনিয়ে বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান।

৭ সেম্টেম্বর,২০১১- ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় ৩৭ জন খেলোয়াড় মারা গিয়েছিলে রাশিয়ার আইস হকি টিম লোকোমোটিভ ইয়ারোস্লোভ।

মন্তব্যসমূহ