আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা

  পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকিরের ‘ক্রসফায়ার’ ও সাংবাদিকদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। সচিবালয়ের পিআইডি সম্মেলনকক্ষে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে রাষ্ট্রীয় সফরে দেশের বাইরে রয়েছেন। দেশে ফেরার পর তিনি বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবেন। সম্প্রতি রাজধানীর চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেন, সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করা হবে। একই অনুষ্ঠানে পুলিশের সমালোচনা করা সাংবাদিকদের নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করেন তিনি। আইজিপির বক্তব্যের পর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সরকারের অবস্থান এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সোমবার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেওয়া ব্যাখ্যায় জানানো হয়েছে, আইজিপি ‘ক্রসফায়ার’ বলতে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বোঝাননি। সাংবাদিকদের নিয়ে করা মন্তব্যের বিষয়েও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। উপদেষ্টার মতে, আইজিপি নিজেই ...

স্কয়ার থেকে সিআরপিতে খাদিজা

সিলেটের সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী খাদিজা আক্তার নার্গিসকে স্কয়ার হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে।
সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাকে স্কয়ার হাসপাতাল থেকে সাভারের সিআরপির (সেন্টার ফর দ্য রিহ্যাবিলিটেশন অফ দ্য প্যারালাইজড) উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়।

স্কয়ার হাসপাতালের কাস্টমার কেয়ার অফিসার জাহাঙ্গীর আলম জানান, সোমবার সকালে তাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। খাদিজা হাঁটা চলা করতে পারে না। তাকে ফিজিওথেরাপি দেওয়ার জন্য সিআরপিতে পাঠানো হয়েছে।
 এর আগে গত শনিবার স্কয়ার হাসপাতালে খাদিজার চিকিৎসার অগ্রগতি জানাতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সেখানে খাদিজা জানান তিনি ভালো আছে। পুরোপুরি সুস্থ হওয়ার জন্য সবার কাছে দোয়া চান।

খাদিজার চিকিৎসার ব্যয় সম্পর্কে জানতে চাইলে স্কয়ার হাসপাতালের মেডিক্যাল সার্ভিসেস ডিরেক্টর ডা. মির্জা নাজিম উদ্দিন জানান, কী পরিমাণ ব্যয় হয়েছে তা তিনি জানেন না।

তবে একটি সূত্র জানিয়েছে, স্কয়ার হাসপাতালে খাদিজার চিকিৎসায় সাড়ে ১৭ লাখ টাকার মতো ব্যয় হয়েছে। খাদিজা স্কয়ারে ভর্তির পর সরকারের পক্ষ থেকে খাদিজার চিকিৎসার সব ব্যয় বহনের দায়িত্ব নেয়া হয়।

খাদিজার বাবা মাসুক মিয়া জানান, স্কয়ার হাসপাতাল ছাড়ার সময় তার কোনো টাকা দেয়া লাগেনি। সরকার সব টাকা দিয়েছে। শুনেছি সাড়ে ১৭ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে।

খাদিজা স্কয়ার হাসপাতালে ১১২৯ নম্বর কেবিনে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ৩ অক্টোবর বিকালে সিলেটের এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে সরকারি মহিলা কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী নার্গিস বেগম খাদিজার (২৩) ওপর হামলা চালায় শাহাজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ও শাবি ছাত্রলীগের সহসম্পাদক বদরুল আলম।

এ সময় চাপাতি দিয়ে খাদিজার শরীরের বিভিন্ন স্থানে উপর্যুপুরি কোপাতে থাকেন বদরুল। এতে খাদিজার মাথা ও পায়ে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার মাথায় অস্ত্রোপচার করে সেলাই দেয়া হয়।

পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় ৪ অক্টোবর ভোরে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে।

নতুন বার্তা

মন্তব্যসমূহ