নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনকে গলা কেটে হত্যা

  নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুরে চারজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যার শিকার সবাই একই পরিবারের সদস্য।  সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে নিয়ামতপুর থানার বাহাদুরপুর ইউনিয়নে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। সকাল ৮টার দিকে ওই গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিয়ামতপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহতরা হলেন বাহাদুরপুর গ্রামের হাবিবুর রহমান (৩৫), তার স্ত্রী পপি খাতুন (৩০) এবং তাদের ছেলে পারভেজ হোসেন (১০) ও মেয়ে সাদিয়া খাতুন (৩)। নিহতদের মধ্যে হাবিবুর ও তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তাদের সন্তান পারভেজ ও সাদিয়া মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। পারভেজ বাহাদুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা করত। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে হাবিবুর রহমানের বাবা নমির হোসেন ছেলের ঘরের দরজার সামনে রক্ত দেখতে পান। সন্দেহ হলে তিনি ভেতরে প্রবেশ করে খাটের ওপর চাদর দিয়ে ঢাকা অবস্থায় চারজনের লাশ দেখতে পান। পরে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন জড়ো হন এবং পুলিশে খবর দেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হাবিবুর রহমান পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী ছ...

ওয়াশিংটনে আলোচনার মধ্যেই লেবাননে ভয়াবহ হামলা চালাল ইসরাইল

 



একদিকে ওয়াশিংটনে যখন কূটনৈতিক আলোচনা চলছে, অন্যদিকে দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি হামলা আরও জোরালো হয়েছে। সাধারণ মানুষের আশা ছিল ইরানের সাথে হওয়া যুদ্ধবিরতির আওতায় লেবাননকেও রাখা হবে, কিন্তু বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। ফলে জনমনে চরম আতঙ্ক ও হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে। খবর আলজাজিরার।


মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দক্ষিণ লেবাননের একমাত্র সচল হাসপাতাল 'তেবনিন'-এ হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। এতে হাসপাতালটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। শুধু হাসপাতাল নয়, ঘরবাড়ি ও বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে ক্রমাগত বোমাবর্ষণ চলছে।


জাতিসংঘ নির্ধারিত সীমান্ত বা 'ব্লু লাইন' সংলগ্ন এলাকাগুলোতে ইসরাইলি সৈন্যরা অবস্থান নিয়ে পদ্ধতিগতভাবে ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে। বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, একটি তথাকথিত 'বাফার জোন' তৈরির লক্ষ্যেই ইসরাইল এই ধ্বংসলীলা চালাচ্ছে।



বর্তমানে লেবাননে প্রায় ১০ লাখেরও বেশি মানুষ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত। এর মধ্যে অন্তত ৬ লাখ মানুষই দক্ষিণ লেবাননের বাসিন্দা। যুদ্ধবিরতি বা কোনো স্থায়ী চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত এই বিপুল সংখ্যক মানুষের ঘরে ফেরা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।


লেবাননের সাধারণ মানুষের দাবি একটাই—যুদ্ধবিরতি। কিন্তু কূটনীতিকদের আলোচনার টেবিল আর মাঠের পরিস্থিতির মধ্যে বিস্তর ফারাক থাকায় আগামী দিনগুলো নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

মন্তব্যসমূহ