সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু নয়, সবাইকে বাংলাদেশি ভাবার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

 সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগুরু নয়, সবাইকে বাংলাদেশি ভাবার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, সবার গর্বিত পরিচয়, আমরা সবাই বাংলাদেশি। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের সব অধিকার কেড়ে নিয়ে দীর্ঘদিন কংসের মতো নিষ্ঠুর শাসক এ দেশের জনগণের কাঁধে চেপে বসেছিল। হাজারও প্রাণের বিনিময়ে সেই ফ্যাসিস্টের পতন ঘটিয়েছে জনগণ। তিনি আরও বলেন, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটিয়ে এবার দেশ পুনর্গঠনের পালা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে কেউ কেউ নানাভাবে গুজব ছড়াচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে উসকে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এজন্য ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সহিষ্ণুতা বজায় রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার কথাও জানান তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই দেশ আমাদের সবার। নাগরিক হিসেবে এ দেশে সবার অধিকার সমান। নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস ও সংস্কৃতি অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করা প্রত্যেক নাগরিকের সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার। বর্তমান সরকার ও বিএনপি বিশ্বাস করে —‘ ধর্ম যার...

ওয়াশিংটনে আলোচনার মধ্যেই লেবাননে ভয়াবহ হামলা চালাল ইসরাইল

 



একদিকে ওয়াশিংটনে যখন কূটনৈতিক আলোচনা চলছে, অন্যদিকে দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি হামলা আরও জোরালো হয়েছে। সাধারণ মানুষের আশা ছিল ইরানের সাথে হওয়া যুদ্ধবিরতির আওতায় লেবাননকেও রাখা হবে, কিন্তু বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। ফলে জনমনে চরম আতঙ্ক ও হতাশা ছড়িয়ে পড়েছে। খবর আলজাজিরার।


মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দক্ষিণ লেবাননের একমাত্র সচল হাসপাতাল 'তেবনিন'-এ হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। এতে হাসপাতালটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। শুধু হাসপাতাল নয়, ঘরবাড়ি ও বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে ক্রমাগত বোমাবর্ষণ চলছে।


জাতিসংঘ নির্ধারিত সীমান্ত বা 'ব্লু লাইন' সংলগ্ন এলাকাগুলোতে ইসরাইলি সৈন্যরা অবস্থান নিয়ে পদ্ধতিগতভাবে ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে। বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, একটি তথাকথিত 'বাফার জোন' তৈরির লক্ষ্যেই ইসরাইল এই ধ্বংসলীলা চালাচ্ছে।



বর্তমানে লেবাননে প্রায় ১০ লাখেরও বেশি মানুষ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত। এর মধ্যে অন্তত ৬ লাখ মানুষই দক্ষিণ লেবাননের বাসিন্দা। যুদ্ধবিরতি বা কোনো স্থায়ী চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত এই বিপুল সংখ্যক মানুষের ঘরে ফেরা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।


লেবাননের সাধারণ মানুষের দাবি একটাই—যুদ্ধবিরতি। কিন্তু কূটনীতিকদের আলোচনার টেবিল আর মাঠের পরিস্থিতির মধ্যে বিস্তর ফারাক থাকায় আগামী দিনগুলো নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

মন্তব্যসমূহ