ইরান যুদ্ধ শেষের পথে: ডোনাল্ড ট্রাম্প

  মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান যুদ্ধ ‘প্রায় শেষের পথে রয়েছে।’ ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি একথা বলেন। এর আগে তিনি আগামী দিনগুলোতে পাকিস্তানে ইরানের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা মুখোমুখি আলোচনার ইঙ্গিত দেন। সম্প্রচারিত সাক্ষাৎকারের ট্রাম্প বলেন, ‘আমার মনে হয়, এটি (যুদ্ধ) শেষের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে, হ্যাঁ।’ ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মনে করি, এটি শেষ হওয়ার একদম দ্বারপ্রান্তে রয়েছে।’ এদিকে, সমুদ্রপথে ইরানের সব ধরনের অর্থনৈতিক বাণিজ্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার জানান, ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ সম্পূর্ণরূপে কার্যকর করা হয়েছে এবং মার্কিন বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে সামুদ্রিক শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রেখেছে। সূত্র: আল জাজিরা

আন্দামান সাগরে নৌকাডুবি, বাংলাদেশিসহ নিখোঁজ ২৫০

 




আন্দামান সাগরে একটি ট্রলারডুবির ঘটনায় নারী, পুরুষ ও শিশুসহ অন্তত ২৫০ জন নিখোঁজ হয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পাশাপাশি বাংলাদেশি নাগরিকও রয়েছেন বলে জানা যায়।


মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) এক যৌথ বিবৃতিতে এই দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।


জানা যায়, বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের টেকনাফ উপকূল থেকে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিল ট্রলারটি। পথে আন্দামান সাগরে প্রবল ঝড়ো হাওয়া ও উত্তাল ঢেউয়ের কবলে পড়ে এটি ডুবে যায়। ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই থাকায় ট্রলারটি ভারসাম্য হারায় বলে ধারণা করা হচ্ছে।


বিবৃতিতে বলা হয়, এ ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা দীর্ঘদিনের বাস্তুচ্যুতি সংকট এবং রোহিঙ্গাদের জন্য টেকসই সমাধানের অভাবের ফল। রাখাইন রাজ্যে চলমান সহিংসতার কারণে তাদের নিরাপদে নিজ দেশে ফেরার সম্ভাবনা ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে পড়ছে।


একই সঙ্গে মানবিক সহায়তা কমে যাওয়া, শরণার্থী ক্যাম্পে সীমিত সুযোগ-সুবিধা, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের অভাব মানুষকে ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথে পাড়ি দিতে বাধ্য করছে। পাচারকারীদের মিথ্যা প্রলোভনও এতে বড় ভূমিকা রাখছে।


সংস্থাগুলো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য সহায়তা জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি এমন পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে রোহিঙ্গারা স্বেচ্ছায়, নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে নিজ দেশে ফিরতে পারেন।


তারা সতর্ক করে বলেন, সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতেও এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রায় আরও প্রাণহানি ঘটতে পারে।

মন্তব্যসমূহ