কৃষক কার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, জনগণের আস্থার পূর্ণ মর্যাদা দেবে সরকার। যেসব এলাকায় কৃষিপণ্য উৎপাদন বেশি হয় সেখানে কৃষিভিত্তিক কলকারখানা স্থাপন ও আধুনিকায়ন করা হবে। আগামী পাঁচ বছরে পর্যায়ক্রমে ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষক কার্ড দেওয়া হবে।
আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন।
এসময় ২২ হাজার প্রান্তিক কৃষকের মোবাইলফোনে আড়াই হাজার টাকা করে পাঠিয়ে ‘কৃষক কার্ড’কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী ল্যাপটপে বাটন প্রেস করা মাত্রই টাঙ্গাইল সদরসহ দেশের ১১ উপজেলার ২২ হাজার ৬৫ জন প্রান্তিক কৃষকের মোবাইলফোনে আর্থিক সুবিধা পৌঁছে যায়।
এর মধ্য দিয়ে আরেকটি নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণের পথে আরেক ধাপ এগিয়ে গেলো বিএনপি সরকার। এর আগে ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খালখনন কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।
সরকারপ্রধান টাঙ্গাইলে ১৫ জন চাষির হাতে কৃষক কার্ড ও গাছের চারা তুলে দেন। তারা হলেন—আবু কায়সার, রোমান, শাহনুর আলম, শাহ আলম, জুলেখা আখতার, নাসিমা খানম সুমনা, শিল্পী, আমেনা বেগম, নবাব আলী, মোহাম্মদ আলী, কবির হোসেন, মনোয়ারা আখতার, শামীমা আখতার, লায়লা বেগম ও তাহমিনা।
এর আগে বেলা ১১টা ২০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে প্রবেশ করেন। মঞ্চে উঠে তিনি কিষাণ-কিষাণিদের হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে পবিত্র কোরআন, গীতা, বাইবেল ও ত্রিপিটক পাঠের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, কৃষি মন্ত্রী আমিন উর রশিদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) বাংলাদেশ প্রতিনিধি জিয়াকুন শি অন্যদের মধ্যে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।
দেশের ১১টি কৃষি ব্লকে কর্মসূচির প্রাক-পাইলটিং পর্যায় বাস্তবায়ন করা হবে, যাতে ‘কৃষক কার্ড’পাবেন ২০ হাজার ৬৭১ জন ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক। এ কার্ডের মাধ্যমে বছরে ২ হাজার ৫০০ টাকা নগদ সুবিধা পাবেন কৃষকরা।
মন্তব্যসমূহ