তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর নিয়ে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করল ভারত

  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের 'সম্ভাব্য' ভারত সফরের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তা আবার প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভারতের রাষ্ট্রপতির সচিবালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর মহড়ার কারণে আগামীকাল শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের ফোরকোর্টে 'চেঞ্জ অব গার্ড' অনুষ্ঠান হবে না। কিন্তু এর পরপরই কোনো কারণ না দেখিয়ে বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করে নেয় রাষ্ট্রপতি ভবন। এটি সফরের সময়সূচি বদলের ইঙ্গিত, নাকি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রক্রিয়াগত কোনো সমস্যা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ঘিরে টানাপড়েন এবং তারেক রহমানের সফর ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে এই কাণ্ড নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার কারণে সফর নিয়ে আলোচনা জটিল হয়ে উঠেছে।

সুন্দরবনে অপহৃত ৬ নারী জেলেসহ ৩৩ জনকে উদ্ধার

 



নিউজ যুগান্তর

সুন্দরবনে দুর্ধর্ষ দস্যু করিম শরীফ বাহিনীর হাতে অপহৃত ৬ নারী জেলেসহ ৩৩ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড। মুক্তিপণের দাবিতে অপহৃতদের গহীন বনে গোপন আস্তানায় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে রেখেছিল দস্যুরা। 


বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এ তথ্য জানান।


তিনি আরও বলেন, সুন্দরবনের পশ্চিম বিভাগের করকরি নদীর মাল্লাখালী এলাকায় বনদস্যু করিম শরীফ বাহিনীর অবস্থান ও জেলে অপহরণের গোপন খবর আসে কোস্টগার্ডের কাছে। 


এমন খবর পেয়ে বুধবার বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দস্যুদের আস্তানায় অভিযান চালায় কোস্টগার্ড।  এ সময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে দস্যুরা ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে অতি দ্রুত বনে পালিয়ে যায়। পরে বনের ওই এলাকা হতে ৬ জন নারী সদস্যসহ ৩৩ জন জেলে এবং ১৬টি নৌকা উদ্ধার করা হয়। 


জেলেরা জানায়, বন বিভাগের পাস-পারমিট নিয়ে সুন্দরবনের মাছ ও কাঁকড়া আহরণের জন্য গিয়েছেন। বনের বিভিন্ন অংশের নদী-খাল থেকে করিম শরীফ বাহিনী তাদের জিম্মি করে এবং জন প্রতি ১০ হাজার টাকা করে মুক্তিপণ দাবি করে। 


উদ্ধারকৃতদের কোস্ট গার্ড স্টেশন কয়রাতে নিয়ে এসে প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় খাবার প্রদান করা হয়। তারা সকলেই খুলনা জেলার কয়রা থানার বাসিন্দা। নৌকাসহ তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া চলছে।

মন্তব্যসমূহ