ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী

  ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হতাহতদের পরিবারের শোকাহত সদস্যদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। বর্তমান সরকার মনে করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্যই প্রতিটি অপরাধের বিচার হওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিগত ১৭ বছর এবং জুলাই আন্দোলনে যে মানুষগুলো শহীদ হয়েছেন এবং গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের নামে নিজেদের এলাকায় যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠানের নামকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে আজ বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ আশা করে এই জাদুঘর কোনো একটি দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির একক রাজনৈতিক ভাষ্য প্রতিষ্ঠার স্থান হবে না। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা দলের নয়। এই অভ্যুত্থানের মহানায়ক বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগ...

এক দশক পর মালিতে বন্ধ হচ্ছে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন

 




আফ্রিকার দেশ মালি। সেখানে এক দশক ধরে ছিল জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন। এখন তা বন্ধ করছে আন্তর্জাতিক সংস্থাপি। এ মিশনের মুখপাত্র সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, দেশটির সামরিক সরকারের আদেশে শান্তি রক্ষা মিশনের কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে। খবর আল-জাজিরার।


মালিতে পরিচালিত শান্তিরক্ষা মিশনের নাম ইউএন মাল্টিডাইমেনশনাল ইন্টিগ্রেটেড স্টাবিলাইজেশন মিশন ইন মালি, সংক্ষেপে এমআইএনইউএসএমএ। এর মুখপাত্র ফাতৌমাতা কাবা গতকাল সোমবার (১১ নভেম্বর) বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, রাজধানী বামাকোয় এমআইএনইউএসএমএর সদর দপ্তরে জাতিসংঘের পতাকা নামিয়ে ফেলা হয়েছে।


পতাকা নামিয়ে ফেলার ঘটনাটি প্রতীকী। এর অর্থ মালিতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়া হয়েছে, এমনটাই জানিয়েছেন কাবা। তবে, মালিতে শান্তিরক্ষা মিশনের কিছু কাজকর্ম এখনও রয়েছে বলেও জানান তিনি।


দেশটিতে ২০১৩ সালে শান্তিরক্ষী মোতায়েন করেছিল জাতিসংঘ। এক দশকে দেশটিতে কাজ করেছেন প্রায় ১৫ হাজার শান্তিরক্ষী। ২০২০ সালে মালির শাসনক্ষমতা নেয় সামরিক সরকার। গত জুনে দেশটির সামরিক সরকার জানায়, তারা আর মালিতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষীদের উপস্থিতি দেখতে চায় না।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় এমআইএনইউএসএমএ সদর দপ্তর জানিয়েছে, মালিতে কর্মরত ১৩ হাজার ৮০০ শান্তিরক্ষী ও কর্মীকে ফিরিয়ে নেওয়া হবে। তাদের মধ্যে সাড়ে ১০ হাজারের বেশি শান্তিরক্ষী ও কর্মী গত শুক্রবার মালি ছেড়েছেন।

মন্তব্যসমূহ