প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

এক দশক পর মালিতে বন্ধ হচ্ছে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন

 




আফ্রিকার দেশ মালি। সেখানে এক দশক ধরে ছিল জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন। এখন তা বন্ধ করছে আন্তর্জাতিক সংস্থাপি। এ মিশনের মুখপাত্র সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, দেশটির সামরিক সরকারের আদেশে শান্তি রক্ষা মিশনের কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে। খবর আল-জাজিরার।


মালিতে পরিচালিত শান্তিরক্ষা মিশনের নাম ইউএন মাল্টিডাইমেনশনাল ইন্টিগ্রেটেড স্টাবিলাইজেশন মিশন ইন মালি, সংক্ষেপে এমআইএনইউএসএমএ। এর মুখপাত্র ফাতৌমাতা কাবা গতকাল সোমবার (১১ নভেম্বর) বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, রাজধানী বামাকোয় এমআইএনইউএসএমএর সদর দপ্তরে জাতিসংঘের পতাকা নামিয়ে ফেলা হয়েছে।


পতাকা নামিয়ে ফেলার ঘটনাটি প্রতীকী। এর অর্থ মালিতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়া হয়েছে, এমনটাই জানিয়েছেন কাবা। তবে, মালিতে শান্তিরক্ষা মিশনের কিছু কাজকর্ম এখনও রয়েছে বলেও জানান তিনি।


দেশটিতে ২০১৩ সালে শান্তিরক্ষী মোতায়েন করেছিল জাতিসংঘ। এক দশকে দেশটিতে কাজ করেছেন প্রায় ১৫ হাজার শান্তিরক্ষী। ২০২০ সালে মালির শাসনক্ষমতা নেয় সামরিক সরকার। গত জুনে দেশটির সামরিক সরকার জানায়, তারা আর মালিতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষীদের উপস্থিতি দেখতে চায় না।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় এমআইএনইউএসএমএ সদর দপ্তর জানিয়েছে, মালিতে কর্মরত ১৩ হাজার ৮০০ শান্তিরক্ষী ও কর্মীকে ফিরিয়ে নেওয়া হবে। তাদের মধ্যে সাড়ে ১০ হাজারের বেশি শান্তিরক্ষী ও কর্মী গত শুক্রবার মালি ছেড়েছেন।

মন্তব্যসমূহ