প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

৩২ বছর পর মুক্তি পেলেন ২৬ জনের ফাঁসি কার্যকর করা জল্লাদ শাহজাহান

 




৩২ বছর সাজা ভোগ করার পর মুক্তি পেলেন ২৬ জনের ফাঁসি কার্যকর করা আলোচিত জল্লাদ শাহজাহান ভূঁইয়া (৭৩)। মুক্তি পেয়ে সাংবাদিকদের কাছে অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে আবেগ আপ্লুত হয়ে শাহজাহান তার বাকি জীবন চালানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা কামনা করেন।


রোববার (১৮ জুন) বেলা পৌনে ১২টায় কেরাণীগঞ্জের ঢাকা কেন্দীয় কারাগার থেকে জল্লাদ শাহজাহান বেরিয়ে আসেন।


এ সময় জল্লাদ শাহজাহান বলেন, আমার একটি বোন ও ভাগ্নে আছে। কিন্তু জেলে আসার পর তাদের সাথে কখনও দেখা হয়নি। শুধু ফোনে কথা হয়েছে।


এখন কারাগার থেকে বের হয়ে কোথায় যাবেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি আসলে জানি না কোথায় যাবো। যাদের সাথে এতদিন ভালো আচরণ করেছি বা ভালো সম্পর্ক ছিল তাদের সাথেই যেতে হবে।


২৬ জনের ফাঁসি কার্যকর করে মুক্তি পেয়ে নিরাপদ বোধ করছেন কিনা, এমন কথার জবাবে তিনি বলেন, আমার হুকুমে তো ফাঁসি কার্যকর করা হচ্ছে না। রাষ্ট্রের হুকুমে করা হচ্ছে। যাদের ফাঁসি হয়েছে, তারা তো প্রেসিডেন্টের কাছেও ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।


তিনি বলেন, প্রতিটি ফাঁসি কার্যকরের সময়ই কিছুনা কিছু আবেগ থাকে। যে যত বড় অপরাধই করুক না কেন, যখন সে মৃত্যুর মুখে পতিত হয়, তখন সবারই মায়া লাগে।


কারা সূত্র জানায়, শাহজাহান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৬ ঘাতক, ৬ জন যুদ্ধাপরাধী, কুখ্যাত সন্ত্রাসী এরশাদ শিকদার, জঙ্গি নেতা বাংলাভাই, আতাউর রহমান সানী, শারমীন রীমা হত্যার আসামী খুকু মনির, ডেইজি হত্যা মামলার আসামী হাসানসহ বাংলাদেশের আলোচিত ২৬ জনকে জনের ফাঁসি দিয়েছেন।


১৯৯১ সালে মানিকগঞ্জের একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করে মানিকগঞ্জ জেলা কারাগারে রাখা হয়। এরপর দেশের বিভিন্ন জেলে রাখা হয় তাকে। শাহজাহান ভূঁইয়ার বাড়ি নরসিংদীর পলাশ থানার ইছামতী গ্রামে। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি অবিবাহিত।


মন্তব্যসমূহ