জ্বালানি সেক্টরকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র সুকৌশলে সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী

একটি নির্দিষ্ট চক্র বেশ সুকৌশলে দেশের জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় রয়েছে এবং তারা নানাভাবে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) জাতীয় সংসদের এলডি হল প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর জ্বালানি খাত’ অনুষ্ঠানে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের বহু মানুষ এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কষ্ট ভোগ করছেন এবং সরকার সে বাস্তবতাকে একবারের জন্যও অস্বীকার করেনি। মূলত বিগত সরকারের কাছ থেকে একটি সামগ্রিক ভঙ্গুর ব্যবস্থা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গেছে।" তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, "অতীত সরকারের সময়ে গ্যাস, জ্বালানি বা পেট্রোলিয়াম খাতে অত্যন্ত অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট কিছু সুবিধাভোগী মহলকে বাড়তি সুবিধা দিতেই নেওয়া হয়েছিল এসব ক্ষতিকর নীতি। যার চূড়ান্ত খেসারত এখন দেশের সাধারণ মানুষ ও বর্তমা...

৩২ বছর পর মুক্তি পেলেন ২৬ জনের ফাঁসি কার্যকর করা জল্লাদ শাহজাহান

 




৩২ বছর সাজা ভোগ করার পর মুক্তি পেলেন ২৬ জনের ফাঁসি কার্যকর করা আলোচিত জল্লাদ শাহজাহান ভূঁইয়া (৭৩)। মুক্তি পেয়ে সাংবাদিকদের কাছে অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে আবেগ আপ্লুত হয়ে শাহজাহান তার বাকি জীবন চালানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা কামনা করেন।


রোববার (১৮ জুন) বেলা পৌনে ১২টায় কেরাণীগঞ্জের ঢাকা কেন্দীয় কারাগার থেকে জল্লাদ শাহজাহান বেরিয়ে আসেন।


এ সময় জল্লাদ শাহজাহান বলেন, আমার একটি বোন ও ভাগ্নে আছে। কিন্তু জেলে আসার পর তাদের সাথে কখনও দেখা হয়নি। শুধু ফোনে কথা হয়েছে।


এখন কারাগার থেকে বের হয়ে কোথায় যাবেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি আসলে জানি না কোথায় যাবো। যাদের সাথে এতদিন ভালো আচরণ করেছি বা ভালো সম্পর্ক ছিল তাদের সাথেই যেতে হবে।


২৬ জনের ফাঁসি কার্যকর করে মুক্তি পেয়ে নিরাপদ বোধ করছেন কিনা, এমন কথার জবাবে তিনি বলেন, আমার হুকুমে তো ফাঁসি কার্যকর করা হচ্ছে না। রাষ্ট্রের হুকুমে করা হচ্ছে। যাদের ফাঁসি হয়েছে, তারা তো প্রেসিডেন্টের কাছেও ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।


তিনি বলেন, প্রতিটি ফাঁসি কার্যকরের সময়ই কিছুনা কিছু আবেগ থাকে। যে যত বড় অপরাধই করুক না কেন, যখন সে মৃত্যুর মুখে পতিত হয়, তখন সবারই মায়া লাগে।


কারা সূত্র জানায়, শাহজাহান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৬ ঘাতক, ৬ জন যুদ্ধাপরাধী, কুখ্যাত সন্ত্রাসী এরশাদ শিকদার, জঙ্গি নেতা বাংলাভাই, আতাউর রহমান সানী, শারমীন রীমা হত্যার আসামী খুকু মনির, ডেইজি হত্যা মামলার আসামী হাসানসহ বাংলাদেশের আলোচিত ২৬ জনকে জনের ফাঁসি দিয়েছেন।


১৯৯১ সালে মানিকগঞ্জের একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করে মানিকগঞ্জ জেলা কারাগারে রাখা হয়। এরপর দেশের বিভিন্ন জেলে রাখা হয় তাকে। শাহজাহান ভূঁইয়ার বাড়ি নরসিংদীর পলাশ থানার ইছামতী গ্রামে। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি অবিবাহিত।


মন্তব্যসমূহ