প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

ইউক্রেন ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার সহজ পথ পাবে না : বাইডেন

 




সামরিক জোট ন্যাটোতে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের জন্যে বিশেষ কোনো ব্যবস্থা করবে না। দেশটিতে চলমান রুশ আগ্রাসনের মধ্যে শনিবার (১৭ জুন) এ কথা বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।


ওয়াশিংটনের কাছে মেরিল্যান্ডে একটি সামরিক ঘাঁটিতে সাংবাদিকদের বাইডেন আরও বলেন, ‘তাদেরকে (ইউক্রেনকে) একই মান অর্জন করতে হবে। সুতরাং, আমরা এটাকে সহজ করতে যাচ্ছি না।’


ন্যাটোর নেতারা জুলাইয়ে লিথুয়ানিয়ায় বৈঠক করতে যাচ্ছেন। এই প্রেক্ষাপটে বাইডেন এসব কথা বললেন।


এদিকে, ন্যাটো জোটের প্রধান জেন্স স্টলটেনবার্গ বলেন, প্রতীকী পদক্ষেপ হিসেবে জোটের নেতারা লিথুয়ানিয়ার রাজধানী ভিলনিয়াসে প্রেসিডেন্ট ভলোদমির জেলেনস্কির সঙ্গে ন্যাটো-ইউক্রেন কাউন্সিলের প্রথম অধিবেশন আয়োজন করতে যাচ্ছেন। এই বৈঠক নিরাপত্তার বিষয়ে আলোচনার জন্যে কিয়েভকে সমান সুযোগ তৈরি করে দেবে। তবে কিয়েভের সদস্যপদ পাওয়া নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হবে না বলেও জানান স্টলটেনবার্গ।


ন্যাটোর পূর্ব ইউরোপের দেশগুলো সদস্যপদ পেতে ইউক্রেনের জন্যে একটি ভালো রোডম্যাপের জন্য চাপ দিলেও যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির মতো মিত্রদেশগুলো কিয়েভ একদিন যোগ দেবে, এ ধরনের ২০১৪ সালের সেই অস্পষ্ট অঙ্গীকারের বাইরে যেতে তেমন একটা ইচ্ছুক নয়।

মন্তব্যসমূহ