জ্বালানি সেক্টরকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র সুকৌশলে সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী

একটি নির্দিষ্ট চক্র বেশ সুকৌশলে দেশের জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় রয়েছে এবং তারা নানাভাবে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) জাতীয় সংসদের এলডি হল প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর জ্বালানি খাত’ অনুষ্ঠানে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের বহু মানুষ এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কষ্ট ভোগ করছেন এবং সরকার সে বাস্তবতাকে একবারের জন্যও অস্বীকার করেনি। মূলত বিগত সরকারের কাছ থেকে একটি সামগ্রিক ভঙ্গুর ব্যবস্থা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গেছে।" তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, "অতীত সরকারের সময়ে গ্যাস, জ্বালানি বা পেট্রোলিয়াম খাতে অত্যন্ত অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট কিছু সুবিধাভোগী মহলকে বাড়তি সুবিধা দিতেই নেওয়া হয়েছিল এসব ক্ষতিকর নীতি। যার চূড়ান্ত খেসারত এখন দেশের সাধারণ মানুষ ও বর্তমা...

ইউক্রেন ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার সহজ পথ পাবে না : বাইডেন

 




সামরিক জোট ন্যাটোতে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের জন্যে বিশেষ কোনো ব্যবস্থা করবে না। দেশটিতে চলমান রুশ আগ্রাসনের মধ্যে শনিবার (১৭ জুন) এ কথা বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।


ওয়াশিংটনের কাছে মেরিল্যান্ডে একটি সামরিক ঘাঁটিতে সাংবাদিকদের বাইডেন আরও বলেন, ‘তাদেরকে (ইউক্রেনকে) একই মান অর্জন করতে হবে। সুতরাং, আমরা এটাকে সহজ করতে যাচ্ছি না।’


ন্যাটোর নেতারা জুলাইয়ে লিথুয়ানিয়ায় বৈঠক করতে যাচ্ছেন। এই প্রেক্ষাপটে বাইডেন এসব কথা বললেন।


এদিকে, ন্যাটো জোটের প্রধান জেন্স স্টলটেনবার্গ বলেন, প্রতীকী পদক্ষেপ হিসেবে জোটের নেতারা লিথুয়ানিয়ার রাজধানী ভিলনিয়াসে প্রেসিডেন্ট ভলোদমির জেলেনস্কির সঙ্গে ন্যাটো-ইউক্রেন কাউন্সিলের প্রথম অধিবেশন আয়োজন করতে যাচ্ছেন। এই বৈঠক নিরাপত্তার বিষয়ে আলোচনার জন্যে কিয়েভকে সমান সুযোগ তৈরি করে দেবে। তবে কিয়েভের সদস্যপদ পাওয়া নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হবে না বলেও জানান স্টলটেনবার্গ।


ন্যাটোর পূর্ব ইউরোপের দেশগুলো সদস্যপদ পেতে ইউক্রেনের জন্যে একটি ভালো রোডম্যাপের জন্য চাপ দিলেও যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির মতো মিত্রদেশগুলো কিয়েভ একদিন যোগ দেবে, এ ধরনের ২০১৪ সালের সেই অস্পষ্ট অঙ্গীকারের বাইরে যেতে তেমন একটা ইচ্ছুক নয়।

মন্তব্যসমূহ