ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী

  ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হতাহতদের পরিবারের শোকাহত সদস্যদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। বর্তমান সরকার মনে করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্যই প্রতিটি অপরাধের বিচার হওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিগত ১৭ বছর এবং জুলাই আন্দোলনে যে মানুষগুলো শহীদ হয়েছেন এবং গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের নামে নিজেদের এলাকায় যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠানের নামকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে আজ বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ আশা করে এই জাদুঘর কোনো একটি দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির একক রাজনৈতিক ভাষ্য প্রতিষ্ঠার স্থান হবে না। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা দলের নয়। এই অভ্যুত্থানের মহানায়ক বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগ...

ভূমিকম্পের ১৭৮ ঘণ্টা পর শিশু জীবিত উদ্ধার

 




তুরস্কে ভূমিকম্পের ১৭৮ ঘণ্টা পর ধ্বংসস্তুপ থেকে ৬ বছরের এক শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দক্ষিণাঞ্চলীয় আদিয়ামান নগরীর অ্যাপার্টমেন্ট ব্লক থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। খবর বিবিসির।


সিএনএন তুর্ক সম্প্রচারমাধ্যম ওই শিশুর বয়স ৬ বলে জানিয়েছে। উদ্ধারকারীরা তার বড় বোনকে উদ্ধার করার জন্য তার কাছেও পৌঁছে গেছে বলে জানানো হয়েছে খবরে।


এক সপ্তাহ আগে তুরস্ক ও সিরিয়াকে কাঁপিয়ে দেওয়া শক্তিশালী ভূমিকম্পে এরই মধ্যে মৃতের সংখ্যা ৩৬ হাজার ছাড়িয়েছে। এখনো বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে।


তাদেরকে উদ্ধারে উদ্ধারকর্মীরা প্রাণপণ প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। উদ্ধারকাজের সময় দুই দেশেই দীর্ঘ সময় পর মানুষজনকে জীবিত উদ্ধারের বিস্ময়কর ও আলোচিত ঘটনা ঘটছে।


গত সোমবার স্থানীয় সময় ভোররাতে তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর গাজিয়ানতেপের কাছে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পে তুরস্কের অন্তত ১০টি প্রদেশ ও দক্ষিণের প্রতিবেশী সিরিয়ার উত্তরাঞ্চল লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়।


সোমবার উদ্ধারকারীরা ধসে পড়া ভবনগুলো থেকে কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করেছে। একটি পরিবারের কন্যা, মা এবং দাদিকে উদ্ধারের জন্য খোঁড়াখুঁড়ি চলছে। তবে সময় গড়িয়ে যেতে থাকার সঙ্গে সঙ্গে মানুষজনকে জীবিত উদ্ধারের আশা ক্ষীণ হয়ে আসছে।


সিরিয়ার আলেপ্পোতে জাতিসংঘ ত্রাণ মিশনের প্রধান মার্টিন গ্রিফিথ সোমবার বলেছেন, উদ্ধারকাজ শেষ হয়ে আসার পথে। এখন মনোনিবেশ করা হবে মানুষজনকে আশ্রয়, খাবার দেওয়াসহ অন্যান্য প্রয়োজন মেটানোর দিকে।

মন্তব্যসমূহ