জ্বালানি সেক্টরকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র সুকৌশলে সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী

একটি নির্দিষ্ট চক্র বেশ সুকৌশলে দেশের জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় রয়েছে এবং তারা নানাভাবে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) জাতীয় সংসদের এলডি হল প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর জ্বালানি খাত’ অনুষ্ঠানে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের বহু মানুষ এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কষ্ট ভোগ করছেন এবং সরকার সে বাস্তবতাকে একবারের জন্যও অস্বীকার করেনি। মূলত বিগত সরকারের কাছ থেকে একটি সামগ্রিক ভঙ্গুর ব্যবস্থা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গেছে।" তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, "অতীত সরকারের সময়ে গ্যাস, জ্বালানি বা পেট্রোলিয়াম খাতে অত্যন্ত অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট কিছু সুবিধাভোগী মহলকে বাড়তি সুবিধা দিতেই নেওয়া হয়েছিল এসব ক্ষতিকর নীতি। যার চূড়ান্ত খেসারত এখন দেশের সাধারণ মানুষ ও বর্তমা...

কাখোভকা বাঁধ উড়িয়ে দেওয়ার ছক কষছে রাশিয়া : জেলেনস্কি

 




ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দেশের দক্ষিণাঞ্চলে একটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বাঁধ উড়িয়ে দেওয়ার ছক কষার অভিযোগ করেছেন রাশিয়ার বিরুদ্ধে। বাঁধ উড়িয়ে দেওয়া হলে ‘বড় ধরনের বিপর্যয়’ ঘটবে বলে তিনি সতর্ক করেন।


বৃহস্পতিবার রাতের এক ভাষণে জেলেনস্কি বলেন, ইউক্রেনের তথ্যানুযায়ী, নিপ্রো নদীর নোভা কাখোভকা বাঁধটি রুশ বাহিনী খনন করেছিল। খবর রয়টার্স ও বিবিসির।


জেলেনস্কি পশ্চিমা নেতাদের কাছে অনুরোধ করেছেন রাশিয়াকে সতর্ক করার জন্য যেন তারা এমন একটি বাঁধ উড়িয়ে না দেয়। এ বাঁধটি ক্ষতিগ্রস্থ হলে দক্ষিণ ইউক্রেনের একটি বিশাল এলাকা প্লাবিত হবে।


বিবিসি জানায়, বাঁধটি এখন রাশিয়ার দখলে আছে। তবে ইউক্রেনীয় বাহিনী বাঁধটির কাছে অগ্রসর হচ্ছে। রাশিয়া এরই মধ্যে নোভা কাখোভকা বাঁধে ইউক্রেনীয় সেনাদের ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার অভিযোগ করেছে।


কিন্তু টিভিতে প্রচারিত ভাষণে জেলেনস্কি বলেছেন, রুশ বাহিনী বাঁধের ভেতরের দিকে বিস্ফোরক পেতে রেখেছে এবং এটি উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।


বাঁধটি ধ্বংস হয়ে গেলে ইউরোপের সবচেয়ে বড় জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের শীতলীকরণ ব্যবস্থায় ব্যাঘাত ঘটবে বলে জানান জেলেনস্কি।


এ পরিস্থিতিতে বিশ্বের প্রত্যেকেরই খুব দ্রুত এবং শক্তিশালীভাবে রাশিয়ার এই সন্ত্রাসী হামলা ঠেকাতে তৎপর হওয়া উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।


সতর্ক করে দিয়ে জেলেনস্কি বলেন, ওই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিশাল জলাধার আছে। রাশিয়া বাঁধ উড়িয়ে দিলে এর পাদদেশের ৮০ টিরও বেশি বসতিসহ খেরসন অঞ্চলও বন্যায় ভেসে যাবে। এতে লাখো মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

রাশিয়া এরই মধ্যে বাঁধটিতে ইউক্রেনীয় বাহিনীর হামলা চালানোর যে অভিযোগ করছে, সেটি তাদের নিজেদের দোষ কিয়েভের ওপর চাপানোর লক্ষণ বলেই মনে করছেন ইউক্রেনের কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, রুশ বাহিনী হয়ত বাঁধটি উড়িয়ে দিয়ে এর জন্য কিয়েভকে দোষারোপ করতে পারে।

মন্তব্যসমূহ