প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

পাকিস্তানে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ায় ৩ কর্মকর্তাকে বহিষ্কার করল ভারত


চলতি বছরের মার্চে ভুল করে পাকিস্তানে ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার ঘটনায় বিমানবাহিনী তিন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করল ভারত। আজ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছে দেশটির বিমানবাহিনী।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়, বিবৃতিতে ভারতের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, ২০২২ এর ৯ মার্চ একটি ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র ভুল করে ছোড়ার ঘটনা ঘটে। তদন্তের পর তিন জন কর্মকর্তা এই কাজের জন্য প্রাথমিকভাবে দায়ী। তাদের এই মুহূর্ত থেকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হচ্ছে।

মার্চে পাকিস্তানে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পরই ভারতের পক্ষ থেকে দুঃখপ্রকাশ করা হয়। এর পেছনে প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা সেই সময় বলা হয়েছিল। পাশাপাশি তদন্তও শুরু হয়েছিল।

অন্যদিকে, পাকিস্তানের দাবি ছিল, ক্ষেপণাস্ত্রটি তাদের আকাশসীমার ১০০ কিলোমিটার ভেতরে শব্দের চেয়ে তিন গুণ গতিতে আছড়ে পড়ে। ক্ষেপণাস্ত্রে বিস্ফোরক না থাকায় বিস্ফোরণ হয়নি

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে পাকিস্তানে ভারতের হাইকমিশনারকে ডেকে পাঠায় ইসলামাবাদ। তার কাছে প্ররোচনাহীনভাবে ভারতের আকাশসীমা লঙ্ঘনের ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। পাকিস্তান এ ব্যাপারে তদন্তও শুরু করে। সেই তদন্তের প্রতিবেদনে বলা হয়, সেই সময় ক্ষেপণাস্ত্রটি কোনো যাত্রীবাহী বিমানে আঘাত করতে পারত। সেক্ষেত্রে বহু মানুষের প্রাণ যেতে পারত।


মন্তব্যসমূহ