আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা

  পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকিরের ‘ক্রসফায়ার’ ও সাংবাদিকদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। সচিবালয়ের পিআইডি সম্মেলনকক্ষে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে রাষ্ট্রীয় সফরে দেশের বাইরে রয়েছেন। দেশে ফেরার পর তিনি বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবেন। সম্প্রতি রাজধানীর চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেন, সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করা হবে। একই অনুষ্ঠানে পুলিশের সমালোচনা করা সাংবাদিকদের নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করেন তিনি। আইজিপির বক্তব্যের পর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সরকারের অবস্থান এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সোমবার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেওয়া ব্যাখ্যায় জানানো হয়েছে, আইজিপি ‘ক্রসফায়ার’ বলতে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বোঝাননি। সাংবাদিকদের নিয়ে করা মন্তব্যের বিষয়েও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। উপদেষ্টার মতে, আইজিপি নিজেই ...

পাকিস্তানে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ায় ৩ কর্মকর্তাকে বহিষ্কার করল ভারত


চলতি বছরের মার্চে ভুল করে পাকিস্তানে ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার ঘটনায় বিমানবাহিনী তিন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করল ভারত। আজ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছে দেশটির বিমানবাহিনী।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়, বিবৃতিতে ভারতের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, ২০২২ এর ৯ মার্চ একটি ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র ভুল করে ছোড়ার ঘটনা ঘটে। তদন্তের পর তিন জন কর্মকর্তা এই কাজের জন্য প্রাথমিকভাবে দায়ী। তাদের এই মুহূর্ত থেকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হচ্ছে।

মার্চে পাকিস্তানে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পরই ভারতের পক্ষ থেকে দুঃখপ্রকাশ করা হয়। এর পেছনে প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা সেই সময় বলা হয়েছিল। পাশাপাশি তদন্তও শুরু হয়েছিল।

অন্যদিকে, পাকিস্তানের দাবি ছিল, ক্ষেপণাস্ত্রটি তাদের আকাশসীমার ১০০ কিলোমিটার ভেতরে শব্দের চেয়ে তিন গুণ গতিতে আছড়ে পড়ে। ক্ষেপণাস্ত্রে বিস্ফোরক না থাকায় বিস্ফোরণ হয়নি

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে পাকিস্তানে ভারতের হাইকমিশনারকে ডেকে পাঠায় ইসলামাবাদ। তার কাছে প্ররোচনাহীনভাবে ভারতের আকাশসীমা লঙ্ঘনের ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। পাকিস্তান এ ব্যাপারে তদন্তও শুরু করে। সেই তদন্তের প্রতিবেদনে বলা হয়, সেই সময় ক্ষেপণাস্ত্রটি কোনো যাত্রীবাহী বিমানে আঘাত করতে পারত। সেক্ষেত্রে বহু মানুষের প্রাণ যেতে পারত।


মন্তব্যসমূহ