পাকিস্তানে মসজিদে আত্মঘাতী হামলায় নিহত ১৬

  পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কোহাট পুলিশ লাইন্সের একটি মসজিদে জুমার নামাজ চলাকালে সংগঠিত ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও সন্ত্রাসী হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৫ জন পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৫০ জনেরও বেশি মানুষ। আজ শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) জুমার নামাজের সময়ে পুলিশ সদর দফতরের কাছে এই হামলাটি চালানো হয়। খাইবার পাখতুনখোয়ার পুলিশ প্রধান (আইজি) জুলফিকার হামিদ ঘটনার সত্যতা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন। হামলার ধরণ ও পুলিশের পাল্টা অভিযান প্রথম হামলা: পুরোনো পুলিশ লাইন্সের প্রবেশপথে বিস্ফোরকভর্তি একটি গাড়ি নিয়ে সজোরে ধাক্কা দেয় এক হামলাকারী। এতে বড় ধরণের বিস্ফোরণ ঘটে এবং ভবনের একাংশ ধসে পড়ে। দ্বিতীয় বিস্ফোরণ ও বন্দুকযুদ্ধ: বিস্ফোরণের পরপরই সশস্ত্র জঙ্গিরা স্পেশাল ব্রাঞ্চ ভবন লক্ষ্য করে এগোতে থাকে। সেখানে একজন আত্মঘাতী হামলাকারী নিজেকে উড়িয়ে দেয়। এরপরই নিষিদ্ধ তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) সমর্থিত জঙ্গিদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর তীব্র গোলাগুলি শুরু হয়। সন্ত্রাসী হতাহত: পুলিশ জানায়, মোট ৭ জন সশস্ত্র জঙ্গি পুলিশ লাইন্সে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালিয়ে...

পাকিস্তানে ভয়াবহ বন্যায় ৯৩৭ জনের মৃত্যু, জরুরি অবস্থা জারি

 




পাকিস্তানে ভয়াবহ বন্যায় এ পর্যন্ত ৯৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ৩৪৩টি শিশু রয়েছে।


বর্তমানে দেশটির ৩ কোটি মানুষ পানিবন্দি এবং ২ লাখ ২০ হাজার ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে।


এ অবস্থায় দেশটির সরকার শুক্রবার পাকিস্তান জুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছে। খবর আল-জাজিরার।


পাকিস্তানের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বা এনডিএমএ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছে ৩৪ জন।


এ বছরের বন্যায় পাকিস্তানের এক পঞ্চমাংশের বেশি এলাকা পানির নীচে তলিয়ে গেছে।


এর আগে পাকিস্তানে ভয়াবহ বন্যা হয়েছিল ২০১০ সালে। সেবছর দেশটিতে দুই হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়ে ছিলেন।


পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, বন্যায় প্রায় তিন কোটি ৩০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।


এছাড়া পাকিস্তানের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা বলেছে, এবারের বন্যায় সারাদেশে প্রায় দুই লাখ ২০ হাজার ঘরবাড়ি ধ্বংস এবং অপর প্রায় পাঁচ লাখ ঘরবাড়ি আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে।

মন্তব্যসমূহ