তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর নিয়ে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করল ভারত

  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের 'সম্ভাব্য' ভারত সফরের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তা আবার প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভারতের রাষ্ট্রপতির সচিবালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর মহড়ার কারণে আগামীকাল শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের ফোরকোর্টে 'চেঞ্জ অব গার্ড' অনুষ্ঠান হবে না। কিন্তু এর পরপরই কোনো কারণ না দেখিয়ে বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করে নেয় রাষ্ট্রপতি ভবন। এটি সফরের সময়সূচি বদলের ইঙ্গিত, নাকি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রক্রিয়াগত কোনো সমস্যা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ঘিরে টানাপড়েন এবং তারেক রহমানের সফর ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে এই কাণ্ড নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার কারণে সফর নিয়ে আলোচনা জটিল হয়ে উঠেছে।

ফিলিপাইনে প্রেসিডেন্ট পদে মার্কোস জয়ী

 




ফিলিপাইনের সাবেক একনায়ক ফার্দিনান্দ মার্কোসের ছেলে ফার্দিনান্দ ‘বংবং’ মার্কোস জুনিয়র (৬৪) এবার প্রেসিডেন্ট পদে জয়ী হয়েছেন। গতকাল সোমবার ৬০ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হন তিনি। এর ফলে ৩৬ বছর পর আবারও একই পরিবারের হাতে ক্ষমতা ফিলে এলো।


ফ্রান্স২৪, নিক্কেই এশিয়া, ডয়েচে ভেলেসহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিলিপাইনে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে স্থানীয় সময় সোমবার সকাল ৬টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়, চলে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত।


এদিন মার্কোসের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ভাইস প্রেসিডেন্ট লেনি রেব্রেদো পেয়েছেন ২৮ শতাংশের মতো ভোট। ২০১৬ সালে ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মার্কোস জুনিয়রকে হারান তিনি।


বেসরকারিভাবে ফলাফল হাতে পাওয়ার পর মার্কোস তার সদর দপ্তর থেকে এক ভিডিও বার্তায় বিজয় ঘোষণা না করেই সমর্থক ও গণমাধ্যমকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‌‘আমাদের লড়াইয়ে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেককেই ধন্যবাদ।’


মার্কোস আরও বলেন, ‘কোনো প্রচেষ্টা যত বড়ই হোক না কেন তা কেবল একজন ব্যক্তিকে জয়ী করে না। এতে অনেক, অনেক মানুষ ভিন্ন উপায়ে কাজ করে।’


এর আগে ফিলিপাইনের নির্বাচনে লাখ লাখ মানুষ তাদের পছন্দের নেতাকে বেছে নিতে কেন্দ্রে হাজির হন। এদিন রেকর্ড পরিমাণে ৬ কোটি ৭০ লাখ ভোটার তাদের পছন্দের প্রেসিডেন্টকে বেছে নিতে ভোট দিয়েছেন।


সোমবারের নির্বাচনে দেশটির প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট, ১২ সিনেটর, নিম্নকক্ষের ৩০০ জন সদস্য এবং মেয়র, গভর্নরসহ ১৮ হাজার কর্মকর্তা নির্বাচিত হচ্ছেন। প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং সিনেটর ছাড়া বাকিরা তিন বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন।

মন্তব্যসমূহ