প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

ফিলিপাইনে প্রেসিডেন্ট পদে মার্কোস জয়ী

 




ফিলিপাইনের সাবেক একনায়ক ফার্দিনান্দ মার্কোসের ছেলে ফার্দিনান্দ ‘বংবং’ মার্কোস জুনিয়র (৬৪) এবার প্রেসিডেন্ট পদে জয়ী হয়েছেন। গতকাল সোমবার ৬০ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হন তিনি। এর ফলে ৩৬ বছর পর আবারও একই পরিবারের হাতে ক্ষমতা ফিলে এলো।


ফ্রান্স২৪, নিক্কেই এশিয়া, ডয়েচে ভেলেসহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিলিপাইনে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে স্থানীয় সময় সোমবার সকাল ৬টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়, চলে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত।


এদিন মার্কোসের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ভাইস প্রেসিডেন্ট লেনি রেব্রেদো পেয়েছেন ২৮ শতাংশের মতো ভোট। ২০১৬ সালে ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মার্কোস জুনিয়রকে হারান তিনি।


বেসরকারিভাবে ফলাফল হাতে পাওয়ার পর মার্কোস তার সদর দপ্তর থেকে এক ভিডিও বার্তায় বিজয় ঘোষণা না করেই সমর্থক ও গণমাধ্যমকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‌‘আমাদের লড়াইয়ে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেককেই ধন্যবাদ।’


মার্কোস আরও বলেন, ‘কোনো প্রচেষ্টা যত বড়ই হোক না কেন তা কেবল একজন ব্যক্তিকে জয়ী করে না। এতে অনেক, অনেক মানুষ ভিন্ন উপায়ে কাজ করে।’


এর আগে ফিলিপাইনের নির্বাচনে লাখ লাখ মানুষ তাদের পছন্দের নেতাকে বেছে নিতে কেন্দ্রে হাজির হন। এদিন রেকর্ড পরিমাণে ৬ কোটি ৭০ লাখ ভোটার তাদের পছন্দের প্রেসিডেন্টকে বেছে নিতে ভোট দিয়েছেন।


সোমবারের নির্বাচনে দেশটির প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট, ১২ সিনেটর, নিম্নকক্ষের ৩০০ জন সদস্য এবং মেয়র, গভর্নরসহ ১৮ হাজার কর্মকর্তা নির্বাচিত হচ্ছেন। প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং সিনেটর ছাড়া বাকিরা তিন বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন।

মন্তব্যসমূহ