ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী

  ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হতাহতদের পরিবারের শোকাহত সদস্যদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। বর্তমান সরকার মনে করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্যই প্রতিটি অপরাধের বিচার হওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিগত ১৭ বছর এবং জুলাই আন্দোলনে যে মানুষগুলো শহীদ হয়েছেন এবং গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের নামে নিজেদের এলাকায় যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠানের নামকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে আজ বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ আশা করে এই জাদুঘর কোনো একটি দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির একক রাজনৈতিক ভাষ্য প্রতিষ্ঠার স্থান হবে না। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা দলের নয়। এই অভ্যুত্থানের মহানায়ক বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগ...

ফিলিপাইনে প্রেসিডেন্ট পদে মার্কোস জয়ী

 




ফিলিপাইনের সাবেক একনায়ক ফার্দিনান্দ মার্কোসের ছেলে ফার্দিনান্দ ‘বংবং’ মার্কোস জুনিয়র (৬৪) এবার প্রেসিডেন্ট পদে জয়ী হয়েছেন। গতকাল সোমবার ৬০ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হন তিনি। এর ফলে ৩৬ বছর পর আবারও একই পরিবারের হাতে ক্ষমতা ফিলে এলো।


ফ্রান্স২৪, নিক্কেই এশিয়া, ডয়েচে ভেলেসহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিলিপাইনে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে স্থানীয় সময় সোমবার সকাল ৬টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়, চলে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত।


এদিন মার্কোসের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ভাইস প্রেসিডেন্ট লেনি রেব্রেদো পেয়েছেন ২৮ শতাংশের মতো ভোট। ২০১৬ সালে ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মার্কোস জুনিয়রকে হারান তিনি।


বেসরকারিভাবে ফলাফল হাতে পাওয়ার পর মার্কোস তার সদর দপ্তর থেকে এক ভিডিও বার্তায় বিজয় ঘোষণা না করেই সমর্থক ও গণমাধ্যমকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‌‘আমাদের লড়াইয়ে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেককেই ধন্যবাদ।’


মার্কোস আরও বলেন, ‘কোনো প্রচেষ্টা যত বড়ই হোক না কেন তা কেবল একজন ব্যক্তিকে জয়ী করে না। এতে অনেক, অনেক মানুষ ভিন্ন উপায়ে কাজ করে।’


এর আগে ফিলিপাইনের নির্বাচনে লাখ লাখ মানুষ তাদের পছন্দের নেতাকে বেছে নিতে কেন্দ্রে হাজির হন। এদিন রেকর্ড পরিমাণে ৬ কোটি ৭০ লাখ ভোটার তাদের পছন্দের প্রেসিডেন্টকে বেছে নিতে ভোট দিয়েছেন।


সোমবারের নির্বাচনে দেশটির প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট, ১২ সিনেটর, নিম্নকক্ষের ৩০০ জন সদস্য এবং মেয়র, গভর্নরসহ ১৮ হাজার কর্মকর্তা নির্বাচিত হচ্ছেন। প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং সিনেটর ছাড়া বাকিরা তিন বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন।

মন্তব্যসমূহ