জ্বালানি সেক্টরকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র সুকৌশলে সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী

একটি নির্দিষ্ট চক্র বেশ সুকৌশলে দেশের জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় রয়েছে এবং তারা নানাভাবে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) জাতীয় সংসদের এলডি হল প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর জ্বালানি খাত’ অনুষ্ঠানে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের বহু মানুষ এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কষ্ট ভোগ করছেন এবং সরকার সে বাস্তবতাকে একবারের জন্যও অস্বীকার করেনি। মূলত বিগত সরকারের কাছ থেকে একটি সামগ্রিক ভঙ্গুর ব্যবস্থা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গেছে।" তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, "অতীত সরকারের সময়ে গ্যাস, জ্বালানি বা পেট্রোলিয়াম খাতে অত্যন্ত অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট কিছু সুবিধাভোগী মহলকে বাড়তি সুবিধা দিতেই নেওয়া হয়েছিল এসব ক্ষতিকর নীতি। যার চূড়ান্ত খেসারত এখন দেশের সাধারণ মানুষ ও বর্তমা...

আজারবাইজানের ৭ সেনা নিহত, আর্মেনিয়ার নিখোঁজ ২৪ জন

 





আর্মেনিয়ার সঙ্গে সীমান্তে সংঘর্ষে আজারবাইজানের ৭ সেনা নিহত হয়েছে। 


আর্মেনিয়ার সরকারি কর্মকর্তারা বলছে, আজারবাইজানের সেনারা তাদের ১৩ সেনাকে ধরে নিয়ে গেছে। অন্যদিকে তাদের ১ সেনা নিহতসহ আরও ২৪ সেনাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। 


ঘটনার জন্য উভয়পক্ষ বিপরীত পক্ষকে দোষারোপ করছে।


আর্মেনিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আজারবাইজানের সেনারা তাদের সেনাদের অবস্থান লক্ষ্য করে প্রকাশ্যে গুলি চালিয়েছে।  


অন্যদিকে, আজারবাইজান সরকার আর্মেনিয়ার বিরুদ্ধে বড় ধরনের উসকানির অভিযোগ তুলেছে।


কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার খবরে সর্বশেষ সংঘর্ষের ঘটনাকে, গত বছরের ৪৩ দিনের যুদ্ধের পর সব চেয়ে বড় ধরনের সঙ্ঘাত বলে উল্লেখ করেছে। 


২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে সাবেক সোভিয়েতভুক্ত দুই দেশ আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। ৪৩ দিনব্যাপী এই যুদ্ধে উভয়পক্ষের ব্যাপক সংখ্যক সেনা হতাহত হয়। পরে রাশিয়ার মধ্যস্থতায় উভয়পক্ষ যুদ্ধবিরতি চুক্তি করে। কিন্তু যুদ্ধবিরতির পরও উভয় পক্ষ একাধিকবার সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে।  


সর্বশেষ সংঘাতের পর রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী সেরজেই সইগু উভয় দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী উভয়পক্ষকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। 


আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশনিয়ান সীমান্তের পরিস্থিতি নিয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। 


জর্জিয়ার রাজধানী তিবলিসি থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক রবিন ফরেস্টিয়ার জানিয়েছেন, বুধবার উভয়পক্ষ যুদ্ধবিরতি পালন করেছে।


আল জাজিরার এই সাংবাদিক বলেন, গত বছরের নাগোর্নো-কারাবাখ সংঘর্ষের পর আমরা সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘর্ষ দেখতে পেয়েছি। তবে এবার ঘটনাস্থল নাগোর্নো-কারাবাখ নয়। আর্মেনিয়া দাবি করেছে, তাদের সার্বভৌম সীমান্তের ভেতরেই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। 


সাংবাদিক ফরেস্টিয়ার বলেন, আর্মেনিয়ার সঙ্গে ইরানের সীমান্ত ও আজারবাইজানের সঙ্গে আর্মেনিয়ার সীমান্তস্থল ‘নাকচিভানে’ এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। 

মন্তব্যসমূহ