পাকিস্তানে মসজিদে আত্মঘাতী হামলায় নিহত ১৬

  পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কোহাট পুলিশ লাইন্সের একটি মসজিদে জুমার নামাজ চলাকালে সংগঠিত ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও সন্ত্রাসী হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৫ জন পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৫০ জনেরও বেশি মানুষ। আজ শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) জুমার নামাজের সময়ে পুলিশ সদর দফতরের কাছে এই হামলাটি চালানো হয়। খাইবার পাখতুনখোয়ার পুলিশ প্রধান (আইজি) জুলফিকার হামিদ ঘটনার সত্যতা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছেন। হামলার ধরণ ও পুলিশের পাল্টা অভিযান প্রথম হামলা: পুরোনো পুলিশ লাইন্সের প্রবেশপথে বিস্ফোরকভর্তি একটি গাড়ি নিয়ে সজোরে ধাক্কা দেয় এক হামলাকারী। এতে বড় ধরণের বিস্ফোরণ ঘটে এবং ভবনের একাংশ ধসে পড়ে। দ্বিতীয় বিস্ফোরণ ও বন্দুকযুদ্ধ: বিস্ফোরণের পরপরই সশস্ত্র জঙ্গিরা স্পেশাল ব্রাঞ্চ ভবন লক্ষ্য করে এগোতে থাকে। সেখানে একজন আত্মঘাতী হামলাকারী নিজেকে উড়িয়ে দেয়। এরপরই নিষিদ্ধ তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) সমর্থিত জঙ্গিদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর তীব্র গোলাগুলি শুরু হয়। সন্ত্রাসী হতাহত: পুলিশ জানায়, মোট ৭ জন সশস্ত্র জঙ্গি পুলিশ লাইন্সে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালিয়ে...

গাজায় ইসরায়েলের দশম দিনের হামলা, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২১৮

 




ইসরায়েলের দশম দিনের হামলায় গাজায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২১৮ তে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৬৩ শিশু রয়েছে। আহত হয়েছেন দেড় হাজারের মতো।


সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা’র প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের যুদ্ধবিরতির আহ্বান সত্ত্বেও ইসরায়েল গাজায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।


এতে আরও বলা হয়েছে, গত ১০ মে গাজায় হামলা শুরুর পর জো বাইডেন এখন পর্যন্ত তিনবার কথা বলেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গে। বাইডেন যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানালেও তাকে গাজায় হামলা বন্ধের বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নিতে দেখা যাচ্ছে না।


ইউরোপীয় ইউনিয়নের ফরেন পলিসি প্রধান জোসেপ বোরেলও যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন।


ইতোমধ্যে, অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় চার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।


আজ বুধবার ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুসালেম পোস্ট জানিয়েছে, গতকাল মধ্যরাত ও আজ ভোরে গাজা থেকে মধ্য ও দক্ষিণ ইসরায়েলে রকেট ছোড়া হয়েছে।


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের তেল নফ, নেভাতিম ও র‌্যামন এলাকায় বিমানঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে গাজা থেকে রকেট ছোড়া হয়। এর প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে সেখানকার নতুন নতুন স্থানে হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।


এ দিকে, সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান গতকাল সশস্ত্র সংঘাত বন্ধের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, গাজায় এই সংঘাত চলমান থাকলে তা পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে ‘ভুল পথে পরিচালিত’ করবে।


নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল গাজায় ১৭টি হাসপাতাল ও ক্লিনিক ধ্বংস করে দিয়েছে। সেখানকার একমাত্র করোনা পরীক্ষার ল্যাবটিও অকেজো করে দেওয়া হয়েছে।


এছাড়াও, গাজার প্রায় আট লাখ অধিবাসীর জন্যে পানীয় জলের সরবরাহ লাইন ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। সেখানকার পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাও ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।


প্রায় ২০ লাখ মানুষের গাজা উপত্যকায় চরম মানবিক সংকট সৃষ্টি হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।


মন্তব্যসমূহ