আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা

  পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকিরের ‘ক্রসফায়ার’ ও সাংবাদিকদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। সচিবালয়ের পিআইডি সম্মেলনকক্ষে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে রাষ্ট্রীয় সফরে দেশের বাইরে রয়েছেন। দেশে ফেরার পর তিনি বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবেন। সম্প্রতি রাজধানীর চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেন, সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করা হবে। একই অনুষ্ঠানে পুলিশের সমালোচনা করা সাংবাদিকদের নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করেন তিনি। আইজিপির বক্তব্যের পর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সরকারের অবস্থান এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সোমবার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেওয়া ব্যাখ্যায় জানানো হয়েছে, আইজিপি ‘ক্রসফায়ার’ বলতে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বোঝাননি। সাংবাদিকদের নিয়ে করা মন্তব্যের বিষয়েও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। উপদেষ্টার মতে, আইজিপি নিজেই ...

আজারবাইজানের সঙ্গে যুদ্ধে হারের রেশ; সরকারি ভবনে ঢুকে পড়ল বিরোধীরা

 




আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ানের পদত্যাগের দাবিতে সেদেশের রাজধানীর একটি সরকারি ভবনে ঢুকে পড়েছে বিক্ষোভকারীরা।


প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আজ (সোমবার) রাজধানী ইয়েরেভানে বিক্ষোভকারীরা সরকারি ভবনে ঢুকে পড়ে। এ সময় সেখানে পুলিশ থাকলেও তাদেরকে কোনো বাধা দেয়নি।


গত বছর নাগোরনো-কারাবাখে আজারবাইজানের কাছে আর্মেনিয়ার পরাজয়ের পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ানের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ চলছে। বিক্ষোভকারীরা তাকে জাতীয় বিশ্বাসঘাতক হিসেবে অভিহিত করছে। সম্প্রতি এই বিক্ষোভ জোরদার হয়েছে।


প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেছেন, চলমান বিক্ষোভ ও সহিংসতার পেছনে সেনাবাহিনী রয়েছে এবং সেনাবাহিনী অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্র করছে। তবে দেশটির প্রেসিডেন্ট এ ধরণের অভিযোগকে গুরুত্ব দেননি এবং সেনাপ্রধানকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন।


বিক্ষোভকারীরা কারাবাখ যুদ্ধে আজারবাইজানের কাছে শোচনীয় পরাজয়ের জন্য পাশিনিয়ান সরকারকে দায়ী করে আসছে। তবে রাজপথে পাশিনিয়ানের সমর্থকেরাও সক্রিয় রয়েছেন। তারাও রাজপথে নেমে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি নিজেদের সমর্থন ঘোষণা করছেন।


গত ২৭ সেপ্টেম্বর নাগোরনো-কারাবাখ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। এরপর ১০ নভেম্বর রাশিয়ার মধ্যস্থতায় যুদ্ধ বন্ধ হয় এবং আজারবাইজানের ভূখণ্ড ফেরত দিতে বাধ্য হয়। এই যুদ্ধে আর্মেনিয়ার পাঁচ হাজার সেনা মারা গেছে বলে জানা গেছে।


পার্সটুডে

মন্তব্যসমূহ